Check Now

 নতুন ব্লগারদের ৭ টি ভুল

7 mistakes of new bloggers


আপনি যদি নতুন একটি ব্লগ শুরু করেন বা করবেন বলে ভাবছেন তা হলে এই আর্টিকেল হতে পারে আপনার জন্য যথার্থ।কারন এখানে আমি এমন সাতটা ভুল তুলে ধরব নতুন ব্লগারদের যরগুলো আমি শুরুর সময় করেছিলাম।নতুন ব্লগারদের ভুল


একইরকম ভাবে সকল বিগেনার এই ভুলগুলো করে ফেলে যার ফলে তাদের ব্লগিং ক্যারিয়ার বেশি দূর এগুতে পারে না।আর এখানে আপনি শুধু ঐ ভুলগুলোই নয় কি করে সেগুলো সমাধান করা যায় সেটিও বলে দিব।আমি যখন ব্লগিং শুরু করেছিলাম ঐ সময় আমি কিছুই জানতাম।


 যে ব্লগ কিভাবে চলে?কিভাবে এসইও করে?কিভাবে ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করে?কিভাবে সাইটের অ্যানালাইটিক্স করে?কি করে টাকা আয় করে?। 


 আমিও বোদয় আপনাদেরই মতো কেউ একজন ছিলাম যে কিছুই জানতাম না।যেভাবে যেভাবে সময় গেল আর আমি আমার ভুল গুলো বুঝতে পারলাম এবং সেগুলোকে পেরিয়ে টাকা আয় করা শুরু করলাম।আজও মনে হয় আমি যদি প্রথম থেকে এগুলো জানতাম তাহলে আরো বেশি টাকা আয় করতে পারতাম।


আমি যে ভুল গুলোর কথা এগুলো যদি ফিক্স করতে পারেন তাহলে আপনার এডস্যান্স থেকে টাকা কামানো অনেক সহজ হয়ে যাবে।


তো চলুন বিগেনার ব্লগারদের ভুল ৭ টি ভুল কি কি জেনে নিই

১. কষ্ট না করার মানসিকতা


নতুন নতুন অনেক ব্লগার মনে করে তারা কি তাদের কোন কষ্ট করতে হবে না কয়েকটা আর্টিকেল লিখে দিবো,সাথে সাথে কিওয়ার্ড,সাথে আইডিয়া চলে আসবে আর আমার আর্নিং শুরু হয়ে যাবে।কিছু কিছু লোকতো এইরকমই হয় যে ভাই শুধু আর্টিকেলটি লিখে পেল আর পাবলিশ করে দাও কাজ শেষ।


আর যদি আপনার মানসিকতা এইরকম হয় তবে ব্লগিং আপনার জন্য না।দিন-রাত পরিশ্রম করে যদি কাজ করতে পার তবেই তুমি সফল হবে এবং আর্নিং করতে পারবে।আপনার যদি মনে হয় ভাইরে ঘুরবো,বন্ধুদের সাথে খাবো এইরকম করে ব্লগিং করা যায় না।


যদি আপরি পরিশ্রমের সাথে ব্লগিং করেন তবে কেউ আপনাকে আর্নিং করা ঠেকাতে পারবে না।আর যদি আপনার মানসিকতা এই রকম হয় যে ভাই চার আর্টিকেল রিখে দিবো, দুইটা কফি করব,তিনতা ও করে দিবে আর পাবলিশ করেই টাকা কামানো সম্ভব হবে তবে এই কাজ আপনার দ্বারা সম্ভব না বস।তো এটাকে সবসময় এড়িয়ে চলবেন।
নতুন ব্লগারদের ভুল1


২. ইনভেস্ট ছাড়া সফলতা


তো এখানে কারো এমন মনে হয় যে কোন টাকা খরছ ছাড়াই আমি ফ্রিতে সব করে পেলব, যে রকমটা আমি ইউটিউবে দেখেছি একটা আর্টিকেলও দেখেছি।টাকা খরছ বলতে আপনাকে ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনতে হবে।আর আপনি যদি ব্লগার হন তবে আপনাকে একটা ডোমেইন কিনলেই হয়ে যাবে।

এটা সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।একটি এক বছরের জন্য হোস্টিং কিনতে খরছ হতে পারে ২০০-৩০০০ টাকা (সাধারন প্রপেশনাল সাইট)। আর একটি টপ লেভেল ডোমেইনের (.com/.net/.org/.net/.xyz extra) এক বছরের মূল্য হতে পারে ১০০-১২০০/১৩০০ টাকা (সাধারন প্রপেশনাল সাইট) পর্যন্ত। 

আপনাকে এই টাকা ইনভেস্টমেন্ট করে ব্লগিং এ নামতে হবে না হলে এগুনো সম্ভব না।



৩. একুশ দিনে টাকা ডাবল


কিছু কিছু লোকের আবার এরকমও মনে হয় যে ব্লগিং শুরু করেছি তিন হাজার টাকা দিয়ে দশ দিন ছয় হাজার আর একুশ দিন পর দশহাজার টাকা আসতে শুরু করবে।আসলেই এরকমটা হওয়া সম্ভব না। 

যখন আমি ডোমেইন কিনি হোস্টিং কিনি টাকা আয় করতে অনেক সময় লেগেছিলো। তাই আপনাকে এর সাথে লেগে থাকতে হবে কাজ করে যেতে হবে।যদিওবা এটা কোন রকেট সাইন্স নয় আপনার কাজ করে জাওয়া আর আপনার সময় ব্যায় করার উপর আপনার টাকা নির্ধারিত হবে।নতুন ব্লগারদের ভুল3

৪. শিখার আগে আয়ের চিন্তা


অনেক অনেক বিগেনার আছে যাদের কোন আইডিয়া ছাড়াই ব্লগিং শুরু কারে কিছু দিন ভালো লাগে, আজে-বাজে সময় নষ্ট করে আর কিছুদিন পর ভালো লাগে না। তার পর এইসব ছেড়ে দেয়।

কারন সে কিছু শিখেই নাই তো কি করে হবে।দরুন আজকে খুব ভালো একটি আর্টিকেল পড়লেন যে এভাবে এভাবে করলে এইরকম হবে।অনেকে আছে তারা শুধু ঐ খানে কি ভাবে আছে আমাকেও ঐ রকম করে দিবো, হয়ে যাবে।

কিন্তু কিছু বুদ্ধিমান লোক আছে যারা এটা পড়ে কিছু শিখে এবং নতুন কিছু করার চেষ্টা করে।আমি অসেকবার বলেছি ব্লগিং সময় দিয়ে না শিখতে পারলে বেশিদূর এগোনো সম্ভব হয় না।তাই আপরার যদি সত্যি সত্যি ব্লগিং করার ইচ্ছে থাকে আগে ভালো করে বুঝে নেন তারপর কাজ করেন।

৫. মানিটাইজেশন পাওয়ার মানসিকতা


তো আমাদের প্রায় সকলেরই মানসিকতা থাকে যে কত তারাতারি গুগল এডস্যান্স এড করে টাকা কামানো যায়।কেউ এটা চিন্তা করে রা যে ারে আমার সাইট টা আগে ঠিক করে বানাই কয়েকটা দিন সময় দিই কিছুটা ট্রাপিক আসুক তারপর এডস্যান্সের জন্য এপ্লাই করব।

আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি যদি আপনি এডস্যন্সের এড আপনি বসান আপনার সাইটে তখন আপনার সাইটের বাউন্স রেইট কমে যায় এবং ট্রাপিকও কম হয়ে যায়।তাই আপনাকে আগে সাইটাকে ভালো করে গ্রো করে তারপর এডস্যান্সের জন্য এপ্লাই করা উচিত। 

আপনি যত তারাতাড়ি আপনি এটা বুঝতে পারবেন তত তারাতাড়ি মঙ্গল। মনিটাইজেশন পাওয়ার মানসিকতা প্রথমেই দূর করে পেলতে হবে।অবশ্যই এটাকে এড়িয়ে চলা উচিত।নতুন ব্লগারদের ভুল5



৬. ম্যাট্রিক্স এনালাইসিস (এনালিটিক্স/ওয়েবমাস্টার) না করা



যে কেউ এনালিটিক্সের এ্যাপ নামিয়ে পেলবে ওয়েবমাস্টারে একাউন্ট বানিয়ে পেলবে ইউটিউবের ভিডিও বা আর্টিকেল পড়ে কিন্তু সেগুলো খুলে যে কাজ করতে হয় সেগুলো তাদের মাথাই থাকে না।

এনালিক্স খুললেও থেকে দুই একটা ভিজিটর এইগুলো ছেড়ে দাও এইরকম অবস্থা থাকে।আপনাকে আপনার সাইটে যকগুলো পেজ আছে সবগুলোকে ইনডেক্সও করতে হয় বস।সাইট তৈরি করা লিখা আমার হিসেবে ৪০% কাজই হয় বাকি ৬০ % এনালিটিক্স আর ওয়েবমাস্টার দ্বারাই সম্ভব হয়।

আপনাকে এটা দেখতে কোন পেজে বেশি ভিজিটর কোন পেজে কম ভিজিটর আসছে এইগুলো জেনে নেওয়া কোথায় বুস্টের প্রয়োজন কোথায় কি ভুল আছে এইগুলো সব দেখতে হয়।যখন ওয়েবমাস্টারে ডেটা পান সেখানে এভারেজ ডিওরেশন সেশন,বাউন্স রেট,এক্সিট পেজ,এন্ট্রি পেজ আরও অনেক স্ট্রেট আছে যেগুলো আপনি দেখবেন এবং জানবেন তখনই আপনার সাইট গ্রো হবে।

আর এইসব দেখে বুঝতে পারি আমার স্ইটের কোথায় কি হচ্ছে। তাই এই রকম ভুল কখনই করা উচিত নয় একজন ব্লগার হিসেবে।নতুন ব্লগারদের ভুল6


৭. শুধুমাত্র পরিকল্পনা - কোন সম্পাদনা নয়


এই ভুলটা সকলেই করে থাকে।আমিো কোন এক সময় করতাম।আপনি কোথাও একটা আইডিয়া পেলেন তারপর চিন্তা যে এটা করে দিবো ঐ টা করে দিবো এতো একেবারে ভুল।যদি আপনার কাছে রিসোর্স থাকে টাকাও ইরভেস্ট করেন সময়ও থাকে আর আপনি সফল হবেন। 

যদিওবা সফল না হন তবে আপনি ঐ খান থেকে কিছু শিখতে পারেন যেটি দ্বারা পরবর্তীতে খুব সফলতার সাথে কাজ করতে পারবেন।আর আপনি যদি শুধু পরিকল্পনা করতেই থাকেন অযথা সময় ব্যায় করে তবে এখানে আপনি সফল হবেন না।এই রকম ভুল আমি আরো আগে করেছিলাম কিন্তু এখন আর করি না।

এটা সবচেয়ে বেশি বিগেনারদের সাথেই হয়ে থাকে তারা শুধু প্লেন করে হোস্টিং নেব কি নেব না ডোমেইন কিনবো নাকি কিনবো না কিন্তু কখন করে দোখায় না এটাই সবচেয়ে বড় ভুল। নতুন ব্লগারদের ভুল7


তো এই ছিল আমার এবং প্রত্যেকটা ব্লগারের ৭ টি গুরুত্বপূর্ণ ভুল।যদি আপনি এগুলো এড়িয়ে চলতে পারেন তবেই আপনি ব্লগিং এ এগিয়ে যেতে পারবেন।


আর্টিকেলটি ভালো লাগলে কেমন হয়েছে কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না।

"হ্যাপি ব্লগিং"" ব্লগার-বিডি"




Post a Comment

অপেক্ষাকৃত নতুন পুরনো