Check Now

গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায় 

গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায়
গুগল এডসেন্স পাওয়ার ১০ টি সেরা উপায়

 


গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায়। আমি গত দুই বছর এডসেন্স হতে টাকা আয় করতেছি।আর আমার মূল আয়ের উৎস গুগল এডসেন্স গুগল এডসেন্স  ব্যবহার করার মূল উদ্দেশ্য হলে এতে অনেক টাকা দেয় অন্যান্য অল্টারনেটিভ সাইটের তুলনায়।


অন্যান্য এডসেন্স  সাইট থেকে গুগল এডসেন্স অনেক বেশি পরিমাণ টাকা দেয়।এই কারনেই সকলেই গুগল এডসেন্স ব্যবহার করে।সবাই চায় যে তারা যেন গুগল এডসেন্স পায়।

 কিন্তুু তারা এত ভুল করে যে তারা গুগলের এডসেন্স পাওয়ার যোগ্যতা হারিয়ে পেলে।আজকের এই আর্টিকেলে আমি আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করব আপনাদের সাথে যেভাবে আমি পাচটা এ্যাডসেন্স এপ্রুভাল নিতে পেরেছি।


তো আপনিও যদি আমার মতো অনেকবার এ্যাডসেন্স এপ্রুভাল নিতে চান এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ন পড়ার অনুরোধ রইল।আপনার হয়ত বিশ্বাস করবে না শুরু থেকে আজ পর্যন্ত আমার কোন দিন এ্যাডসেন্স নিতে অসুবিধা হয় নি।


কারন আমি আমার জন্য একটা রুটিন বা রুলস ঠিক করেছি যেগুলো করার জন্য আমার কোন অসুবিধা হয় নি।যখনই আমি নতুন ব্লগ শুরু করি আর এগুলি মেনে চলি।এগুলোই আজকে শেয়ার করব।তো চলুন আমার অভিজ্ঞতা শেয়ার করি।


১. একটি টপ লেভেল ডোমেইন 


আজকাল অনেক বিগেনার থাকে যারা একটি টপ লেভেল ডোমেইন নেয় না।তারা মনে করে ফ্রি তে সবকিছু হয়ে যাবে, আসলেই ব্যপারটা একদম এইরকম না।মাত্র ৮০/৯০/১০০/৫০০ টাকা বাচানোর জন্য ফ্রি ডোমেইন নিয়ে কাজ চালিয়ে দেয়।


 কিন্তু পরে আর এডস্যান্স এপ্রুভাল পায় না।তো যখনই আমি নতুন ব্লগ শুরু করি প্রথমে আমি একটি টপ লেভেল ডোমেইন কিনে নিই।মনে রাখবেন এটা খু্ব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।



২. ব্লগ সেটআপ করা (ব্লগার/ওয়ার্ডপ্রেস)


এরপর আমি যে বিষয়টা দেখি সেটি হল প্রাটপর্ম। সেটা হউক ব্লগার বা ওয়ার্ডপ্রেস। ব্লগার ও ওয়ার্ডপ্রেস বেচে নেওয়া খুব জরুরি একটা ব্যাপার।কারন এই দুইটি সাইট খুব জনপ্রিয় রয়েছে আমাদের দেশে।


তবে আপনি যদি এক এর অধিক সাইটে এডস্যান্স এপ্রুভ করতে আপনাকে ওয়ার্ডপ্রেসকেই বেচে নিতে হবে।আর যদি একটা এডস্যান্স প্রয়োজন হয় তাহলে ব্লগারেই থাকা উচিৎ। ব্লগারে এক এর অধিক এডস্যান্স নিরে ইরো এসে হাজির হয়।তাই সাইট বেচে নেওয়াও খুব জরুরি ব্যাপার।



৩. এ্যাডসেন্স রুলস


এ্যাডসেন্স এপ্রুভের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন যে ব্যাপারটা সেটা হল এ্যাডসেন্স রুলস।এ্যাডসেন্সের সমস্ত রুলস না মানার কারনে আমাদের মধ্যে অনেকে গুগলের এডস্যান্স পায় না।গুগল এ্যাডসেন্স সমস্ত রুলসের চেকলিস্টের একটা পিডিএফ ফাইল আমার কাছে রয়েছে।পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করতে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন।
https://bit.ly/3myKTx6



৪. একটি ভালো মানের থিম ব্যবহার করা


যদি আপনার গুগল এ্যাডসেন্স নিতে হয় তবে আপনাকে একটি প্রোপার থিম ব্যবহার করতে হবে।থিম হল দুই প্রকার ;যেগুলো আমরা সবাই জানি। ফ্রি থিম ও প্রিমিয়াম থিম।প্রিয়িয়াম থিম ব্যবহার করা ভালো কিন্তু সেগুলো কিনার মতো টাকা আমাদের কাছে থাকে না।


তাই ভালো মানের ফ্রি থিম ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ।তবে আপনাকে যেহেতু এ্যাডসেন্স এপ্রুভাল লাগবে তাই ব্লগারের ফ্রি থিম নোটেবল এবং ওয়ার্ডপ্রেস ফ্রি থিম কালারমেগ ব্যবহার করা উচিত।এগুলোতে গুগল এ্যাডসেন্স তারাতারি পাওয়া যায়।



৫. মেনু তৈরি করা


মেনু তৈরি করা আরো একটা গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।মেনু তৈরি না করে গুগল এডস্যান্স এপ্লাই করলে নেভিগেশন ইরো আসবে।তাই এই নেভিগেশন ইরো থেকে বাচতে হলে আপাকে মেনু তৈরি করে নিতে হবে।আর হ্যাঁ অবশ্যই মেনু হেডার এ বানাবেন আর ফুটারে বানালেও চলবে না বানালেও চলবে।তবে অবশ্যই অবশ্যই হেডারে মেনু তৈরি করতে হবে।




৬. পলিসি পেজ তৈরি করা


পলিসি পেজ তৈরি করা এটা এ্যাডসেন্স জন্য খুব খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনি শুধু ওয়েবসাইটই নয় এ্যাপ বা অন্যান যা কিছুই আছে না কেন যেগুরো এ্যাডসেন্স ব্যবহার করবেন এই পলিসি পেজ তৈরি করতে হবেই।


এই পলিসি পেজগুলোর জন্য সাইট আন্ডার কনস্ট্রাকশন ইরো দূর হয়ে যাবে।বুঝতেই পারছেন এই পলিসি পেজগুলো কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
কিভাবে পলিসি পেজ তৈরি করবেন?

৭. ছয় টা ক্যাটাগরি তৈরি করা


তো ক্যাটাগরি তৈরি করা আরও একটি গুরুত্বপূর্ন দাপ।কমপক্ষে ছয়টা ক্যাটাগরি তৈরি করবেন এতে এ্যাডসেন্স দ্রুত চলে আসবে।আর এইসব ক্যাটাগরিতে কমপক্ষে একটা পোস্ট থাকা প্রয়োজন।এটা মনে রাখবেন।আপনার নিশ অনুযায়ী ক্যাটাগরিগুলো ঠিক করে নিবেন।ধরুন আপনি স্বাস্থ্য সম্পর্কে কাজ করছেন তো আপনি দেখে নিবেন কোন কোন ক্যাটাগরি রাখা যায়।



৮. কমপক্ষে ২০ টি ইউনিক আর্টিকেল লেখা


এই ধাপটি এডস্যান্সের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কারন আর্টিকেলই হলো একটা ব্লগ সাইটের মূল প্রাণ।আর কমপক্ষে বিশ টা আর্টিকেল লিখতেই হবে।আর আপনাকে এইসব আর্টিকেলের ওয়ার্ড ১ হাজরের মধ্যে হওয়া উচিত।তাহলে অনেকটা শিউর হওয়া যাবে এডস্যান্স পেতে। বুঝতে পরছেন কতটা জরুরি।



৯. ছবি সংগ্রহ করা


আগেই বলেছি একটি ব্লগ সাইটের প্রাণ তার আর্টিকেল।আর এই আর্টিকেলগুলোকে আরো সুন্দর করার জন্য কমপক্ষে একটা ছবির প্রয়োজন।আর এই ছবিগুরো গুগল বা অন্যান্য সাইট থেকে নিয়ে এসে বসিয়ে দিলে হবে না।


আপনাকে পিক্সবে,আনপ্লেশ এর মতো সাইটগুরো ব্যবহার করে ছবি সংগ্রহ করা উচিত ;যারা কিনা কোন রকস কপিরাইট ইস্যু ছাড়া ছবি দেয়।এছাড়াও আপনি নিজের মতো করে ছবি বানিয়েও ব্যবহার করতে পারেন।



১০. গুগল ওয়েবমাস্টারে সাইট এ্যাড করা


ওকে আমরা একেবারে শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি।এই ধাপটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আপনি প্রথমত আপনার সাইটকে গুগল ওয়েবমাস্টারে এড করতে হবে।


তারপর হেডারে আপনার যতগুলো পেজ আছে সেগুলোকে ম্যানুয়েলি ইনডেক্স করাতে হবে।এরপর যতগুলো পোস্ট আছে সবগুলোকে মেনুয়্যালি এড করতে।
কিভাবে গুগল ওয়েবমাস্টারে ম্যানুয়ারি এড করতে হয়?



আপনি উপরের সমস্ত ধাপ যদি নিয়ে মানেন আপনি ৯৯℅ শিউর এ্যাডসেন্স পাবেন।অনেক সময় গুগল এ্যাডসেন্সের লোকদের ভূল হতে পারে।এর জন্য চোখ বন্ধ করে আমি 


আবার দ্বিতীয় বার এপ্লাই করে দিই।চাইলে দুই-একটা আর্টিকেল আরো বেশি লিখে দিই এতে কারে ১০০% এ্যাডসেন্স এপ্রুভাল হয়ে যায়।


উপরের প্রত্যেকটা নিয়ম মেনে আমি অনেকবার এডস্যান্স নিয়েছি।

আর্টিকেলটি কেমন লাগল কমেন্ট করে জানাবেন।

"হ্যাপি ব্লগিং"" ব্লগার-বিডি"



Post a Comment

অপেক্ষাকৃত নতুন পুরনো