১০ টি মারাত্মক এসইও টিপস ২০২১ ( ব্লগার/ওয়ার্ডপ্রেস )

১০ টি মারাত্মক এসইও টিপস ২০২১ ( ব্লগার/ওয়ার্ডপ্রেস )

Price:

Read more »


গুগলে নাম্বার পজিশনে আসার যে লড়াই তাকে মূলত এসইও বলে

সবাই এসইও টিপস জানতে চায়।আসলে এসইও টিপসের শেষ নেই।পৃথীবির যত বড় ব্লগার হউক না সে কিন্তু সম্পূর্ন এসইও সম্পর্কে জানে না।

এসইও নিয়ে তাই সবার এত মাথাব্যাথা।অনেকগুলো কারনে গুগল তাদের আর্টিকেলকে নাম্বার ওয়ানে দেখায়।

আর নাম্বার ওয়ানে দেথার প্রধান করান হল লোকজন প্রথমেই সার্চ করে এটি দেখতে পায় এবং ক্লিক করে।

এসইও না হওয়ার কারনে অনেকেই ব্লগিং ক্যারিয়ারই শুরু করতে পারে না।

ব্লগিং বর্তমানে অনেক জনপ্রিয় একটা বিষয়।সবাই চায় ব্লগিং করি।কিন্তু সঠিক গাইডলাইনের অভাবে তারা তাদের ব্লগিং শুরু করতে পারে না।

ব্লগার-বিডি এই বিষয়ে আপনাদের সহযোগিতার জন্যই তৈরি।

এই ব্লগিংয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষটা সেটা হল এসইও। এসইও ছাড়া কোন সাইটেরই তেমন মূল্য নেই।

কারন এসইও ছাড়া আপনি গুগল এ্যাডসেন্স তো পেয়ে যাবেন কিন্তু আপনার সাইটে কোন ট্রাপিক আসবে না।ফলে আপনার সাইট হয়ে যাবে মূল্যহীন।

তাই সকল ব্লগারেরই নূন্যতম এসইও জ্ঞান থাকা জরুরি। 

তো এই এসইও নামক সোনার হরিণের ১০ মারাত্মক টিপস আপনাদেরকে দিবো যে গুলো ব্যবহার করতে পারলে আপনার সাইট দ্রুত উন্নতি করতে শুরু করবে।

তো চলুন শুরু করা যাক:

১. কিওয়ার্ড রিসার্চ

সম্ভবত এসইও-র সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল কিওয়ার্ড রিসার্চ।কিওয়ার্ড রিসার্চ করা সকল ব্লগারেরই জরুরি।

কিওয়ার্ড আপনি যে টপিকের উপর আর্টিকেল লিখছেন। ঠিক এখানে এটি হল 
"১০ টি এসইও টিপস"
। এটিই হল এই আর্টিকেলের কিওয়ার্ড।কিওয়ার্ড দুই প্রকারের হয়।

১. সর্ট লাইন কিওয়ার্ড

আর্টিকেল এসইও করার জন্য জরুরি হল কিওয়ার্ড।আর কিওয়ার্ড এর জন্য সর্ট টেল কিওয়ার্ড।সর্ট টেল কিওয়ার্ড দ্বারা কাজ করা খুব বোকামি কারন এখানে প্রতিদ্বন্দি বেশি থাকবে।

অপরপক্ষে এটি দ্বারা যদি গুগুল রেঙ্ক করাতে পারেন তাহলে ব্যাপারটা লাভজনক হবে।তাই আপনাকে কম প্রতিদ্বন্দি আছে সেরকম নিশ বেচে নিতে হবে। 

  • কম প্রতিদ্বন্দি এবং লাভজনক নিশ সম্পর্কে এটি পড়তে পারেন।

২. লং লাইন কিওয়ার্ড

 যদি আমাদের এই আর্টিকেলের টাইটেলটি ভালো করে দেখেন তাহলে বুঝবেন লং লাইন কিওয়ার্ড কি।

"১০ টি মারাত্মক এসইও টিপস ( ব্লগার/ওয়ার্ডপ্রেস ) "



এমন অনেক কিওয়ার্ড আছে যেগুলো নিয়ে কাজ করা খুব ঝুকিপূর্ণ। কারন সবকিছু ঠিক হলেও এসইও হয় না কারন অনেকে আছে আপনার প্রতিদ্বন্দি।

তাই আপনাকে মেইন কিওয়ার্ডের এমন কিছু কিওয়ার্ড ব্যবহার করে একটা ভালো মানের লং লাইন কিওয়ার্ডে পরিনত করতে পারেন।

২. ইউনিক কনটেন্ট 

এসইও-র জন্য আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হল ইউনিক কনটেন্ট।এখানে ইউনবক মানে একশ ভাগ ইউনিক হতে হবে।

কোন জায়গা থেকে কোন প্রকারের কপি করলে আপনার ব্লগ রেঙ্কতো করবেই না বরং আপনার সাইটে এ্যাডসেন্স চলে যাওয়ার আশংকা থাকে।

আপনাকে আপনার নিশ অনুযায়ী খুব ভালো একটি আর্টিকেলেই লিখেই কেবল সেটিকে রেঙ্ক করাতে পারবেন।

আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে কিওয়ার্ডের উপর।গুগলের রোবট সমসময় ভালো মানের আর্টিকেলকে গুরুত্ব দিয়ে থাকে। তাই একটি ভালো মানের আর্টিকেল লেখা অনেক জরুরি।

চেষ্টা করবেন আপনার আর্টিকেল এক হাজার ওয়ার্ডের উপর রাখতে।


এছাড়াও ঠিকমত টাইটেল, টাইটেল-২, বোল্ড, ইটালিক করাও ইউনিক কন্টেন্ট এর বৈশিষ্ট্য।

 আপনাকে গুগলে রেঙ্ক করাতে চাইলে ইউনিক আর্টিকেল অনেকখানি জরুরি।

৩. ইমেজ অপটিমাইজেশন


গুগলে নাম্বার ওয়ানে আনতে যে জিনিসটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেটা হল ইমেজ অপটিমাইজেশন। 

অনেক ব্লগার আছে যারা ইমেজ অপটিমাইজেশন সম্পর্কে কিছুই জানে না।ইমেজ অপটিমাইজেশন করা খুব জরুরি এটির জন্য।


কি করে ইমেজ অপটিমাইজেশন করব?


ইমেজ অপটিমাইজেশন করা খুব একটা বড় কাজ নয়।এটা খুব সোজা ব্যাপার।

আপনি হয়ত গুগলে কোন কিছু সার্চ করেছেন কিন্তু রেসাল্ট না দেখে ইমেজে ক্লিক করলেন দেখবেন লক্ষ লক্ষ ইমেজ পাওয়া যাবে।

এই ইমেজগুলোর প্রথম সারির মধ্যে আপনার ইমেজটি নিয়ে আসতে হবে।

যার ফলে কেউ ঐ ইমেজে ক্লিক করলে সরাসরি আপনার সাইটে চলে আসতে পারে।

আপনি যে ছবিটি ব্যবহার করবেন সেটি আপনার সাইটের লেআউটের সাথে মানানসই হতে হবে।

আর আপনার ছবিটবর আপলোড করার আগে ছবিটির নাম চেঞ্জ করে আপনার কিওয়ার্ডের নামে করে দিন।

তারপর আপলোড করে দিন।সময়ের সাথে আপনার ছবিটি উপরের দিকে উঠতে শুরু করবে।

৪. ইন্টারনাল লিঙ্কিং


ইন্টারনাল লিঙ্কিং সম্পর্কে আগেও অনেক কিছু বলেছি। ইন্টারনাল লিঙ্কিং করা খুব গুরুত্বপূর্ণ কারন আপনার ভিজটর ধরে রাখতে।কিন্তু এসইও তে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

গুগলে রোবট সবসময় এমন সাইট খুঁজে বের করে যেখানো কেউ কোন পেজে আসলে সে অন্য পেজগুলোও পড়তে শুরু করে দেয়। 

কারন এতে আপনার বাউন্স রেট বেড়ে যায়।এতে গুগল সরাসরি কোন কাজ না করলেও পরোক্ষভাবে ঠিকই কাজ করে।

কিভাবে ইন্টারলিঙ্কিং করব?


ইন্টারলিঙ্কিং করা তেমন একটা কঠিন কাজ না।আপনাকে আপনার সাইটের অন্য আর্টিকেলের কিওয়ার্ড অন্য আরেকটি আর্টিকেলের ভিতর এনে লিঙ্ক সংযোগ করে দেওয়াকে বুঝায়।

এর ফলে যারা আপনার সাইটে আসবে তাদের প্রয়োজন মিটিয়ে আরও বাড়তি কিছু পেয়ে ভিজিটরা ক্লিক করে।ইন্টারলিঙ্কিং এসইওতে খুব কাজ করে।

৫. গুগল ওয়েবমাস্টার এবং এনালিটিক্স



ব্লগারদের অনেকে আছে যে তারা গুগল এনালাইসিস এবং এনালিটিক্স কি সেটা জানেই না।

আর কেউ কেউ তো একটা আর্টিকেল দেখে অথবা ইউটিউবে একটা ভিডিও দেখে একটা ওয়েবমাস্টার একাউন্ট করে পেলবে এবং এনালিটিক্স এর এ্যাপ নামিয়ে পেলে।কিন্তু কোন কাজই করে না।

গুগলে এসইও করে প্রথম সারির দিকে আসতে চাইলে এগুলো ব্যবহার করা শিখতে হবে।গুগল ওয়েবমাস্টার ব্যবহার করে আপনার সাইটের সমস্ত পেজ মেনুয়্যালি ইনডেক্স করতে হবে।

আর এনালিটিক্স ব্যবহার করে আপনি আপনার সাইটের সমস্ত ডেটা পর্যবেক্ষন করবেন। এই ডেটা গুলো দ্বারা বুঝবেন আপনার সাইটের কোন জায়গায় কি সমস্যা আছে কোথায় কি করতে হবে।

এটা খুব খুব গুরুত্বপূর্ণ যদি আপনি আপনার আর্টিকেল গুগলের সার্চ লিস্টে প্রথম দিকে নিয়ে জেতে চান।

৬. শক্তিশালী ব্যাকলিঙ্ক


একটি শক্তিশালী ব্যাকলিঙ্কই পারে আপনার সাইটে খুব ভালো ট্রাপিক আনতে যথেষ্ট। 

শক্তিশালি ব্যাকলিঙ্ক কি এবং কিভাবে করব?


আমাদের আর্টিকেলের বা সাইটের লিঙ্ক অন্য বড় সাইটে প্রধান করে সেখান থেকে ট্রাপিক আনাকে ব্যাকলিঙ্ক বলে।

আর খুবই ভালো মানের একটা ব্যাকলিঙ্ক যেটা থেকে থুব ভালো পরিমান ট্রাপিক আপনার সাইটে আসবে এটাই হল শক্তিশালী ব্যাকলিঙ্ক। 

শক্তিশালী ব্যাকলিঙ্কের জন্য কোরা,মিডিয়াম,বিস্মের মতো সাইটে ভালোভাবে লিঙ্ক করে দিতে পারলেই যথেষ্ট।এছাড়াও আপনার আর্টিকেল রিলেটেড অন্য একটি ভালো আর্টিকেলে কমেন্টে কৌশলে আপনার কমেন্টে লিঙ্ক সংযোগ করতে হয়।

তবে এটি অনেক ঝুকিপূর্ণ।


৭. প্রতিদিন পোস্ট করা


প্রতিদিন পোস্ট করা হতে পারে এসইউন মূলমন্ত্র। আপনি হয়ত কখন একটা পোস্ট করলেন আবার পাঁচদিন পর আরেকটা আবার এক সাপ্তাহ পর আরেকটা পোস্ট করলেন।

এতে করে গুগলের রেঙ্কিং এর জন্য যে রোবট আছে সেটি আপনাকে পজিটিভলি নিবে না।

সে ভাববে আপনি হয়ত ব্লগিং কে সিরিয়াসলি নিচ্ছেন না।আপনাকে অবশ্যই পোস্ট করতেই হবে।এটি হতে পারে এসইউর প্রথম ধাপ।

কিভাবে প্রতিদিন পোস্ট করা যায়?


অনেকে বলেতে পারেন এটা। হয়ত আপনার হাতে সময় থাকে না তাহলে কি করে প্রতিদিন পোস্ট করা সম্ভব হবে।

প্রতিদিন আপনাকে আর্টিকেল লিখতে হবে না শুধু মাত্র দৈনিক এক-দেড় ঘন্টা সময় ব্যায় করলেই হবে।এর জন্য আপনাকে আগেথেকে পোস্ট লিখে রাখতে হবে।

আপনার যখনই হাতে সময় থাকে আপনি যেকোনো নোট এ্যাপে আপনার আর্টিকেল লিখে রাখতে পারেন।আর যারা নতুন ব্লগিং শুরু করতেছেন তাদের জন্য অবশ্যই ব্লগিং শুরু করার আগে ১৫-২০ টা ইউনিক আর্টিকেল লিখে রাখতে হবে।

এতে করে বাকি কাজগুলো সহজ হয়ে যাবে।


৮. অডিট করা


এটি তাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ন যারা হয়ত তাদের আর্টিকেল গুগলে টপ পজিশনে রেঙ্ক করেছেন কিন্তু কয়েকমাস ডাউন হতে শুরু করল ; এটাই অডিট।

আমাদের এগুলো দৈনন্দিন খেয়াল করতে হবে।

কি করে অডিট করব?


অডিট করার জন্য আপনাকে সর্বপ্রথম কাজ হলো কোন আর্টিকেল ডাউন হচ্ছে তা খুঁজে বের করা।

এর পরের ধাপ হল আপনার প্রতিদ্বন্দি খুঁজে বের করা এবং এটা দেখা যে তারা ঠিক কোন কাজগুলো করেছেন সেটা দেখা। 

আপনি আপনার আর্টিকেলের সাথে উনার পার্থক্য করবেন।কেন সেটা আগে রইল সেটা খুঁজে পেতে দেরি হবে না আশা করি।আপনি আবার সবকিছু পিক্স করে টপ পজিশনে রেঙ্ক করতে শুরু করে দিবেন।


৯. লক্ষ্যে অবিচল থাকা


এটাকে ঠিক এসইও টিপস বলা যায় না আবার পরোক্ষভাবে খুব ভালো কাজ করে। আমাদের মাঝে অনেকেই রয়েছে যারা শখের বশে ব্লগিং-এ এশে যায়।

কিন্তু বেশি দূর এগোতে পারে না। তারা হতাশায় ভুগে এবং ব্লগিং ছেড়ে দেয়।আসলে তারা ব্লগিং কে কোন দিন সিরিয়াসলি নেয় নি।

বেশিরভাগেরই টার্গেট থাকে টাকার উপর।আবার কেউ কেউ ব্লগিং ঠিক মতো করতে পারতেছেনা কিন্তু ফেসবুকে একজনের পোস্ট দেখে আবার মোটিভেটেড হয়ে কাজ করে দুই দিন আবার আর দেথা যায় না।

আপনার লক্ষ্যে অবিচল হতে পারে এসইউর প্রধান।কারন আপনি আপনার প্যাশানটাকে কতটা আপন করে নিয়ে কাজ করতেছেন তার উপরও পরোক্ষভাবে এসইও নির্ভর করে।

তাই আপনি যদি সত্যি ব্লগিং নিয়ে সিরিয়াস হন এবং এসইও করাদে চান আপনাকে আপনার লক্ষ্যে অবিচল থাকতেই।যতটা বেশি সম্ভব সময় দিতে হবে।

১০. সাইট হালকা রাখা


সাইট হালকা রাখা শুধু এসইও র জন্যই গুরুত্বপূর্ণ না।যদি আপনার সাইট ভারি হয় আপনার সাইটে ভিজিটরও আসবে না সেটা যতই উপরে রেঙ্ক করুক না কেন।

হালকা-ভারি বলতে পুরো ওয়েবসাইটের সাইজ।সকলে আপনার সাইটে ক্লিক করবে এবং দেখবে ঘুরিতেছে ভিতরে ডুকতেছেনা।

এতে করে ভিজিটররা বের হয়ে যাবে এবং বাউন্স রেট বেড়ে যাবে।

কি করে ওয়েবসাইট হালকা রাখা যায়?


ওয়েবসাইট ভারি হওয়ার একমাত্র এবং প্রধান কারন হল তার মিডিয়া।মিডিয়া হল বিডিও,অডিও,ছবি ইত্যাদি।

আর একটি ব্লগ সাইট ভারি হওয়ার প্রধান কারন হল ছবি।আমরা অনেকে ২/৩ এম্বির ছবিও ব্যবহার করি।সত্যিকার অর্থ্যে ২০০ কেভির উপর কোন ছবি রাখা উচিত না।

আর আপনার ছবির সাইজ বড় হলেও ইন্টারনেট অনেক ইমেজ কম্প্রেসর আছে এগুলো দ্বারা সাইজ হালকা করে নিতে পারবেন।এগুলো কিন্তু দ্রুত রেঙ্ক হয়।

এসইও নামক এই কঠিন বিষয় সম্পর্কে আমাদেরকে প্রতিনিয়ত জেনে যেতেই হবে।


আর্টিকেলটি কেমন লাগল কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না।
"হ্যাপি ব্লগিং"" ব্লগার-বিডি
"




9 Reviews

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *