Check Now

 এ্যাডভান্স ব্লগার এসইও সেটিংস


ব্লগার এসইও সেটিংস


আমরা সবাই জানি ব্লগারে নতুন ইন্টারপেস পার্মানেন্টলি হয়ে গেছে।অনেকে নতুন ইন্টারপেসে ব্লগার এসইও সেটিংস কিভাবে করব এটা জানার ইচ্ছা থাকবে।আমাদের ব্লগার ওয়েবসাইট গুগলে রেঙ্ক করার জন্য এই সেটিংস গুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। এখানে এডভান্স লেভেলের আলোচনা হবে কোন বাড়তি কিছু হবে না।


আপনি যদি ব্লগারের এডভান্স সেটিংস জানেন তারপরও আপনি দেখে নিন সব ঠিক আছে কি না কারন ব্লগার তাদের নতুন ইন্টারপেস বদলে নিয়েছে।ই সেটিংস গুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ , কারন এইগুলোর কারনেই আপনার সাইটের এসইও হয় না।


আপনি যদি গুগলের সমস্ত সেটিংস ( Index,Sitemap,Breadcrumbs,Robots.txt) করে পেলতে পারেন তবে আপনার সাইট গুগলে রেঙ্ক করবেই।


আপনি যদি আমাদের সাইটে নতুন হয়ে থাকেন আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে জয়েন করে পেলুন। আমাদের সর্বশেষ আপডেট ওথানেই শেয়ার করা হয়।


তো চলুন ব্লগারের এডভান্স সেটিংসগুলো কি করে করব দেখে আসি। 


১. বেসিক সেটিংস (Basic) 


এটি ব্লগারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস। এটি দ্বারাই বুঝা যায় আপনার সাইট কেমন বা কি সম্পর্কে তৈরি।এবং এখানে সঠিক কিওয়ার্ড ব্যবহারের ফলে আপনার সাইটের এসইও করাতে পকরবেন।


১. টাইটেল ( Titel ) 


ব্লগারদেরই শুধু না যেকোন সাইট তৈরিতে এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনার সাইটের একটি কিওয়ার্ড থাকা আবশ্যক, আর এই কিওয়ার্ড ব্যবহার করেই একটি সুন্দর টাইটেল দিতে হবে।এখানে আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে আপনার সাইট ইংরেজিতে হলে ইংরেজিতে লিখবেন আর বাংলায় হলে বাংলা। 


২. ডেসক্রিভসন ( Describstion ) 


এটিও টাইটেলের মতোই।এটি গুরুত্বপূর্ণ কারন এটি দ্বারা গুগল বুঝতে পারে আসলে আপনার সাইট টা কি সম্পর্কে। আপনি আপনার মতো করে সুন্দর করে কমপক্ষে ৫০০ ওয়ার্ডের ডেসক্রিভসন লেখতে হবে।


কিভাবে একটি ভালো ডেসক্রিভসন লেখা যায়?


ডেসক্রিভসনতো আপনার সাইট রিলেটেড হবেই তার উপরও কিছু বিষয়ে একটু লক্ষ রাখতে হবে।

আপনার সাইটের কিওয়ার্য তিন বা চার বার ব্যবহার করতে হবে।কোন মতেই দুই তিন লাইনের মতো ছোট করে লিখবেন না।এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে।


৩. ভাষা ( Language ) 


এটি আরও একটি ছোট্ট গুরুত্বপূর্ণ জিনিস।

অনেকে বিষয়টা জানে না বলেই এটাকে যেভাবে আছে সেভাবে করে রেখে দিলেন।ফলাফল সাইট এসইও করা যাচ্ছে না।মনে রাখতে আপনি যে ভাষায় ব্লগটি ব্যবহার করছেন সে ভাষায় ভাষা সিলেক্ট করতে হবে।এটা মনে রাখবেন।


৪. এডাল্ট কনটেন্ট ( Adult Contents ) 


আমরা যারা সাধারন ব্লগিং করি তাদের জন্য এটা অফ করে রাখবেন। যাদের সাইটে বড়দের জন্য কনটেন্ট থাকে তারা এটা অন করে দিবেন যাতে গুগল বুঝতে পারে।


৫. গুগল এনালিটিক্স আইডি


গুগল এনালিটিক্স আইডি বসানো খুব গুরুত্বপূর্ণ। 

আপনি এই গুগুল এনালিটিক্স যান।তারপর সেখানে পেয়ে যাবেন গুগল এনালিটিক্স আইডি।সেটি এখানে বসাতে হবে।


কিভাবে গুগল এনালিটিক্স আইডি পাবো?


এটি ব্লগে বুঝানো অনেক কষ্টকর হবে তাই আমি এথানে দিতে পারছি না।তবে আপনি ইন্টারনেটে,ইউটিউবে পেয়ে যাবেন অনেক।

নিচে কয়েকটা ইউটিউব ভিডিওর লিঙ্ক দেওয়া আছে।চাইলে সেগুলো দেথে এনালিটিক্স আইডি বের করতে পারবেন। 

লিঙ্ক-১

লিঙ্ক-২


৬. পেভিকন ( Favicon ) 


পেভিকন হল আপনার সাইটের চিহ্ন। আপনার সাইট একবার ভিজিট করে দেখুন উপরে ব্লগারের B লেখা একটা চিহ্ন আছে সেখানে আপনার সাইটের চিহ্ন বসাতে হবে।এটি আপনার সাইটকে নির্দেশ করবে।


কিভাবে পেভিকন বানাবো?


ইন্টারনেটে অনেক সাইট আছে যেখানে কাস্টম পেভিকন পাওয়া যায়।আবার চাইলে আপনার ইচ্ছেমতোও বানাতে পারেন।

কাস্টম পেভিকন এখানে

নিজে পেভিকন বানান এখানে


২. প্রাইভেসি ( Privacy ) 


এখানে বেশি কিছু বলার নাই।শুধু অন করে দিবেন।এটি আপনাকে আপনার সাইট সকলের মাঝে শেয়ার দেওয়া অনুমতি। 


৩. পাবলিশিং ( Publishing ) 


এখানে সম্পূর্ণ আপনার ডোমেইনের বিষয় বা তথ্য।এটি সম্পর্কে কিছু বলার নাই।তবে অবশ্যই একটা টপ লেভেল ডোমেইন ( .com/.net/.info/.org/.xyz/.me exetra ) কিনে লাগাতে হবে।


৪. এইচটিটিপিএস ( HTTPS ) 


এইচটিটিপিএস খুব গুরুত্বপূর্ণ এখানে। এটি আপনার সাইট গুগল খুঁজে পেতে সাহায্য করবর।

এখানে HTTPS availability এবং HTTPS redirect দুইটিই অন করে দিতে হবে।


৫. পারমিশন ( Permission ) 


এটি দ্বারা আপনার সাইট অন্য কাউকে এক্সেস দিলে দিতে পারবেন তাছাড়া অন্য আপনার অন্য কোন মেইলকে এক্সেস দিতে পারেন।


এটি হল ব্লগের মালিক। যদি আপনি চান আপনি ছাড়া অন্য কেউ এটার এক্সেস দিবেন তখন এটা কাজে আসবে।

এথানে যতগুলো অফশন থাকে সবগুলোই এক্সেস এর। তাই আপনার যদি প্রয়োজন হয় তখন এটি করতে হবে।


৬. পোস্ট ( Post ) 


এটি আপনার এসইওর জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। অনেকে বেশি বেশি আর্টিকেল হোম পেজে দেখানোর জন্য এটিকে বাড়িয়ে দেয়। এইরকমটা মোটেও করবেন না 


আপনাকে এথানে মেক্স পোস্ট সো অন মাই পেজ (max post show on my page) এ ৮ সিলেক্ট করতে হবে।এর বেশি করলে এসইওতে প্রভাব পেলতে পারে।


এর পর এর্চিব ফ্রিকিউন্সলি (Archive frequency) মান্থলি সিলেক্ট করে রাখুন।

পোস্ট টেমপ্লেট (post template) কোন প্রকারের পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই।যেভাবে আছে সেভাবেই ঠিক আছে।কোন কিছু করা লাগবে না।


লাস্ট ইমেজ লাইটবক্স (image lightbox) ইনেবল করে রাখতে হবে।



৭. কমেন্টস ( Comments ) 



কমেন্টস সেকশন এসইওতে কোন প্রভাব পেলবে না তবে এখানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ আছে।


প্রথমেই কমেন্ট লোকেশন (comment location) embedded সিলেক্ট করে রাখুন। 


এর পরেরটা হল হোও কেন কমেন্ট (who can comment) Users with Google accounts এ এটি সিলেক্ট করুন যাতে কেউ কমেন্ট করলে তার পরিচয় জানা যায় । 


এর পর আমে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস কমেন্টের। এখানে কমেন্ট মডারেশনে (Comment moderation) Always সিলেক্ট করে রাখুন যাতে কেউ সরাসরি কমেন্ট করতে না পারে। আপনার কাছে মডারেশনের জন্য রিকোয়েস্ট করবে তারপর কমেন্ট সো হবে।তার এটি সিলেক্ট করুন।


বাকিগুলো যেভাবে আছে সেভাবেই থাকতে দিন কোন কিছু পরিবর্তনের দরকার নাই।


৮. ইমেইল ( Email )


এটি সাধারণত কোন কিছু পরিবর্তনের দরকার হয় না।তবে আপনার কোন কিছুর পরিবর্তনের দরকার হলে করতে পারেন।তবে একবার ভালো করে দেথে নেওয়া উচিত।


৯. ফরমেটিং ( formatting ) 


ফরমেটিং একটা সেটিংস এসইও র জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটি হয়ত অনেকইবা জানে না। আপনি ইংরেজি বা বাংলা বা অন্য যেকোন ভাষায়ও যদি ব্লগিং করেন আপনি যদি বাংলাদেশে থেকে থাকেন তবে টাইম জোন (time zone) বাংলাদেশের স্টন্ডার্ড করে রাখবেন। বাংলাদেশ স্টন্ডার্ড টাইম GMT+6.00।


এখাসে আর কোন কিছু পরিবর্তনের দরকার নাই।

যেভাবর আছে সেভাবেই থাতা উচিত।



১০. মেটা ট্যাগ ( Meta tag ) 


এসইওরজন্য আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস এটি।আপনি এখানে আপনার অন্য প্রতিযোগিরা কি দরনের কিওয়ার্ড ব্যবহার করেছে সে ধরনের কিছু কিওয়ার্ড খুঁজে বের করতে হয়।


প্রথমেই মেটা ডেসক্রিভশন ইনেভল করে ঐ কি ওয়ার্ড গুলো দিয়ে ১৫০ ওয়ার্ডের মধ্যে একটা ডেসক্রিভশন লেখা লাগবে।


আপনার সাইট যখন গুগলে সো হবে তার নিচে এই ডেসক্রিভশন দেখা যাবে।



১১. রিডাইরেকশন (redirection)


এটির বর্তমানে কোন কাজে আসবে না হয়ত ভবিষ্যতে কাজে আসতে পারে।কারন আপনার গুগলে ইনডেক্স করা কোন লিঙ্ক যদি রেঙ্ক করে এবং ঐ পেজটি এখন আর না থাকে তাহলে ভিজিটর ঐ পেজে ডুকলে 404 erro আসে।


এখানে আপনি চাইলে রিডাইরেক্ট করে অন্য আরেকটি পেজে সরিয়ে নিতে পারবেন।


১২. ক্রাউলিং এন্ড ইনডেক্সিং


এটিই কিন্তু ব্লগারের প্রধান এসইও। এটি খুব খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেকে এটিতে ভুল করে বসে।এটি দ্বারাই সব এসইও হবে।

প্রথমে রোবট ডট টিএক্সটি অন কর।


তারপর নিচের দেওয়া লিঙ্ক কপি করে বসিয়ে দিন খেয়াল রাখবেন লাল দাগ করা জায়গায় আপনার সাইটের নাম হওয়া উচিত।


তারপর গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস কাস্টম রোবট হেডার ট্যাগ (Custom robot header tag) ইনেবল করে দিন।

তারপর হোম পেজ (home page) এ ক্লিক করে all এবং nodp এই দুইটা ইনেবল করে দিবেন।


তারপর এর্চিব এন্ড সার্চ ট্যাগ (archive and search tag) এ ও আগের মতো করে all এবং nodp এই দুইটা ইনেবল করে দিবেন।


তারপর পোস্ট এন্ড পেইজ (post and page) আবার আগের মতো করে all এবং nodp এই দুইটা ইনেবল করে দিবেন।


১৩. মনিটাইজেশন ( monetization ) 


এটি তখনই প্রয়োজন হবে যখন আপনার সাইট এ্যাডসেন্স এপ্রুভাল হয়ে যাবে তখন। এ্যাডেন্সের কোড বসাতে অনেক সময় এরর এসে যায় সেটির জন্য এ্যাডসেন্সের একটা ফাইল থাকে সেটিই এখানে দিতে হয়।



১৪. ম্যানেজ ব্লগ ( manage blog ) 


এটির ব্যবহারও অনেক সোজা।আপনি আপনার অন্য কোন সাইকে এখানে নিয়ে আসতে চান তখন ইমপোর্ট (import) ক্লিক করতে হয়।


আবার ব্যাকআপ (Back up content) এটি দ্বারা আপনার সাইটকে একটি এক্সটিএমএল ফাইল করে রাখা যায়। এটি ইমপোর্ট করে আপনার অন্য সাইটে নিয়ে জেতে পারবেন।


আবার চাইলে রিভুব ইউর ব্লগ (remove your blog) ক্লিক করে মুছে দিতে পারেন।


১৫. সাইট পিড ( side-feed )


এটি নিয়ে এই আর্টকেলে লিখা সম্ভব নয় তবে আপনারা চাইলে ইউটিউবে পেয়ে যাবেন এটি সম্পর্কে। তাই আমি এটি রড়িয়ে যাচ্ছি।


১৬. জেনেরাল (General) 


এখানে সম্পূর্ণ টা ব্লগের মালিকের। এখানে চাইলে আপনার পরিচয় তুলে ধরতে পারেন।আপনি আপন্র ছবি বা আপনার সম্পর্কে কিছু কথা বলে নিতে পারেন।


যারা কষ্ট করে সম্পূর্ণ আর্টিকেল পড়েছেন সকলকে ধন্যবাদ।আর আপনারা যদি উপরের প্রত্যেকটা সেটিংস ঠিকমতো করেন তবে অবশ্যই আপনার সাইট গুগলে রেঙ্ক হবে।

আর্টিকেলটি কেমন লাগল কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না।

"হ্যাপি ব্লগিং"" ব্লগার-বিডি"





Post a Comment

অপেক্ষাকৃত নতুন পুরনো