Check Now

 

ব্লগার বনাম ওয়ার্ডপ্রেস


ব্লগার বনাম ওয়ার্ডপ্রেস কোনটি সেরা এই আর্টিকেলে আপনাদের সকল প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন আশা করি।

সঠিক জ্ঞানের অভাবে ব্লগারে অনেকে কাজ করে লাখ লাখ টাকা আয় নষ্ট করে আর কেউ ওয়ার্ডপ্রেসে আয় ছাড়া অনেক টাকা ব্যায় করে।


ব্লগিং শুরু করার সময় অনেকের মনে প্রশ্ন আশে যে ভাই আমি ব্লগিং ব্যবহার করব নাকি ওয়ার্ডপ্রেস।অনেকে কিছু না চিন্ত করে দেখে যে
ব্লগার কয়েক মিনিটে একটা ওয়েবসাইট তৈরি করে দিচ্ছে তো তারা সেখানে চলে যায়।কিন্তু এটা ভুল আপনি কোন তথ্য না নেওয়া ছাড়া কাজ করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।



প্রথমে একটা কথা বলে নিতে চাই ব্লগার আর ওয়ার্ডপ্রেস দুইটা প্লাটফর্মই CMS (Content Management System) অর্থাৎ এখানে কোন প্রকার কোডিং এর প্রয়োজন নেই ওয়েবসাইট তৈরি করতে।শুধু অল্প কিছু সময়ে খুব সহজে দারুণ দারুণ সব ওয়েবসাইট তৈরি করা য়ায় এগুলোর সাহায্যে। এই কারনে এরা পুরো পৃথিবীতেই এত জনপ্রিয়।



ব্লগার আর ওয়ার্ডপ্রেস ছাড়াও আরও অনেক সিএমএস সাইট রয়েছে তবে এগুলো ব্যবহার করা সহজ এবং জনপ্রিয়।



চলুন দেখি নি : ব্লগার বনাম ওয়ার্ডপ্রেস এর মধ্যে আপনার জন্য কোনটি সেরা?


ব্লগার বনাম ওয়ার্ডপ্রেসের জন্য এখন আমরা 
 টা বিষয়ে ওয়ার্ডপ্রেস এবং ব্লগারের পার্থক্য দেখব


১. ইন্টারপেস


ব্লগারেন ইন্টারপেস আর ওয়ার্ডপ্রেসের ইন্টারপ্রেসের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য আছে।ব্লগারের ইন্টারপেস কিছুদিন আগেও অন্যরকম ছিল। হঠাৎ করে একটা বড় আপগ্রেডের মাধ্যমে ইন্টারপেসটা বদলে যায়।সত্যি দারুন লেগেছে ইন্টারপেসটা।ওয়ার্ডপ্রেসের ইন্টারপেস আগে থেকে দারুন ছিল। মুটামুটি সকল দরকারি পেজই পাওয়া যায়।



২. থিম


যদি ব্লগার বনাম ওয়ার্ডপ্রেসে থিমের কথা বলতে হয় তাহলে অনেকগুলো প্রশ্ন আসবে।
ব্লগারের যে ডিপল্ট থিমগুলো রয়েছে সেগুলি পেশাদার না।ব্লগারের ভালো মানের থিম নিয়ে কাজ করতে হলে থার্ট পার্টি কোন সাইট থেকে নিতে হয়।


এতে অনেক সমস্যা হয়।এই থার্ট পার্টি সাইট গুলোতে এত রকম কোডিং হয় যে সেগুলোকে কাস্টমাইজ করা কষ্ট হয়ে থাকে।


ওয়ার্ডপ্রেসে নিজস্ব ধারুন ধারুন সব থিম রয়েছে।যেগুলো সত্যি খুব পেশাদার। এগুলো ব্যবহার করে যেকোন প্রকারের সাইট তৈরি করা যায়।



৩. প্লাগইন



ওয়ার্ডপ্রেসে প্লাগইনের ( যেগুলো সাইট বিল্ড করতে সাহায্যে করে) ব্যবন্থা রয়েছে।যেগুলো দ্বারা আপনি যা ইচ্ছে তা করতে পারেন।প্লগইন দ্বারা এসইও থেকে সাইটে কোন প্রকারের এরর থাকলে সেগুলো দূর করতেও সাহায্য করে। প্লাগইন আপনার কাজকে অনেক সহজ করে তুলে।



ব্লগারে প্লাগইনের কোন ব্যবস্থা নেই।তাই সাইটে কোন এরর হলে বা আর্টিকেল লেখার সময় কোন প্রকারের ভুল হলে সেগুলো না খেয়াল করার কারনে আপনার সাইট ডাউন হতে শুরু করে।


প্লাগইন না থাকা ব্লগারের জন্য অনেক বড়ো একটস নেগেটিভ বিষয়।




৪. ডোমেইন ও হোস্টিং



ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করতে হলে আপনাকে একটা ওয়েবহোস্টিং ও একটা টপ লেভেল ডোমেইন (.com/.net/.org/.info) কিনে নিতে হবে।এটি করলেই আপনার ব্লগিং জার্নি শুরু করতে পারা যায়।তাই ডোমেইন ও হোস্টিং কিনতেই হবে যদি ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করেন।



ব্লগার যেহেতু গুগলেরই একটা প্লাটফর্ম তাই কারা হোস্টিং প্রোভাইট করে দেয়।তাই আপনার ব্লগিং কিনতে হবে না।আবার ডোমেইন না কিনেও ব্লগারে ব্লগিং শুরু করা যায়। সেক্ষেত্রে এটা হবে সাব-ডোমেইস ( www.yourdomain.blogspot.com )


 এই সাব-ডোমেইন দিয়ে ব্লগিং করলে আপনার এডসেন্স পেতে ৪ থেকে ৬ মাস অপেক্ষা করতে হবে।তাই কম বাজেটে ব্লগিং শুরু করার ক্ষেত্রে সবাই ব্লগার বেচে নেয়।



৫. কাস্টমাইজেশন


ওয়ার্ডপ্রেস বনাম ব্লগার করতে গেলে এটি খুব দরকারি।কাস্টমাইশন যেকোন ওয়েবসাইটের জন্য গুরুত্বপূর্ন।কারন একটি সাইট কোন প্রকারের হবে সেটা নির্ভর করে সাইট কাস্টমাইজেশন এর উপর। 



ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে যেকোন প্রকারের ওয়েবসাইট খুব কম সময়ে ভালোভাবেই তৈরি করা যায়।ওয়ার্ডপ্রেসে প্লাগইন এর ব্যবস্থা থাকায় যেকোন প্লাগইন ব্যবহার করে যেকোন প্রকারের সাইট তৈরি করা যায় খুব সহজে।


এটি অনেক আরামদায়ক হয় কারন শুধুমাত্র ড্রাগ এনড ড্রফ করে নিজের ইচ্ছেমত সাইট তৈরি করা যায়।এটি ওয়ার্ডপ্রেসের অনেক বড় একটা সুবিধা বা প্লাস পয়েন্ট।



ব্লগারে যেকোনো প্রকারের সাইট তৈরি করা যায় না।ব্লগার তৈরি করা হয়েছে স্পেশালি ব্লগিং সাইটের জন্য। তাই এখানে আপনার ইচ্ছেমত সাইট তৈরি করা খুব কষ্টকর।হ্যাঁ আপনি পেশাদার কোডিং জানেন বা খুব ভালো মানের প্রোগ্রামার হন তখন এটি সম্ভব হয়।


তাই ব্লগারে কাস্টমাইজেশন নিয়ে আপনাকে সমস্যায় পেলতে পারে।তার উপর প্লাগইনের ব্যবস্থা না থাকায় আপনার সাইটের কোন জায়গায় কি সমস্যা সেটা বের করা কঠিন হয়ে দাড়ায়।



৬. ওয়েবসাইট স্পিড


আমাদের মাঝে অনেকেরই এই প্রশ্ন থাকে যে ভাই ওয়েবসাইটের স্পিড বাড়াবো কিভাবে।আসলে এটা অনেকটা নির্ভর করে আপনি কোন প্লাটফর্ম ব্যবহার করেছেন।
আপনি যদি ব্লগার ব্যবহারকারি হন তাহলে এটি আপনার জন্য সমস্যা নাও হতে পারে।


 ব্লগারে শুধুমাত্র একটা জিনিস খেয়াল রাখতে হবে যে বেশি বেশি ছবি ব্যবহার না করা।ব্লগার সাইট স্লো হওয়ার অন্যতম প্রধান কারন হল এর এরর। আসলে আপনি যতক্ষণ না একটা টুল ব্যবহার করছেন আপনি বুঝতেই পারছেন না আপনার সাইটের কি অবস্থা। এতে করে যেকেন প্রকারের এরর এর কারনে আপনার সাইট স্লো হওয়ার চিন্তা থাকে।



ওয়ার্ডপ্রেসে সাইট স্পিড ধরে রাখা খুব সোজা।ঘুরে ফিরে ঐ প্লাগইনে ফিরে আসা।আপনি ভালো থেকে একটা সাইট বুস্টিং প্লাগইন বেচে নিবেন এবং সাইটের সমস্ত সমস্যা দূর করে স্পিড বাড়ানো যায়।



কি করে সাইট স্পিড বাড়াতে হয়?


স্পিড বাড়ানোর জন্য অনেক উপায় রয়েছে।আপনার সাইট বারি হয়ে যাওয়া এর প্রধান কারন। সাইট স্পিড বাড়ানোর জন্য ছবিগুলো কমপ্রেস করে নিতে পারেন এক্ষেত্রে ছবির রেজুলেশন ৬৪০×৩৬০ হলে ভালো হয়।এতে করে আপনার আর্টিকেলগুলো লাইট হয়ে যাবে এবং স্পিড বাড়তে বাধ্য হবে।



কিভাবে ইমেজ কমপ্রেস করব?


আপনার ব্যবহার করা ছবিটা বা ছবিগুলো যদি বেশি বড় সাইজের হয়ে যায় তাহলে সেগুলো কমপ্রেস করে নিতে হয়।ইমেজ কমপ্রেস করার জন্য ইন্টারনেটে অনেক সাইট আছে যেগুলো দ্বারা কমপ্রেস করতে পারেন।


লিঙ্ক ১

লিঙ্ক ২
লিঙ্ক ৩



৭. এডসেন্স এপ্রুভ ও এডসেন্স সিকিউরিটি



এডসেন্স এপ্রুভ করাতে সবাই চায়। আপনি ব্লগার ব্যবহার করুন কিংবা ওয়ার্ডপ্রেস দুটোতেই এডসেন্স এপ্রুভাল পেয়ে যাবেন।


ব্লগারর যেগেতু সাবডোমেইনের ব্যবস্থা আছে আপনি সেটি দিয়ে করতে চাইলে আপনার অনেক সময় নষ্ট হবে।আপনাকে শুধুমাত্র একটা টপ লেভেল ডোমেইন কিনে নিতে হবে, আপনি যদি ঠিক ঠাক কাজ করেন এক মাসের মধ্যে এডসেন্স এপ্রুভাল পেয়ে যাবেন।


আর এডসেন্সর সিকিউরিটি কথা ব্লগারের চেয়ে আর কোনোটাই নেই।ব্লগার যেহেতু গুহলেন সেহেতু তারা খুব কড়া সিকিউরিটি প্রধান করবে।আমি কোন দিন শুনি নি যে ব্লগার সাইট হ্যাক হয়ে গেছে, হ্যাঁ যদি আপনি কাউকে পাসওয়ার্ড দিয়ে থাকেন তাহলে অন্যকথা কিন্তু ব্লগার সাইট অনেক সিকিউর।


ওয়ার্ডপ্রেসে হোস্টিং এবং টপ লেভেল ডোমেইন ব্যবহার করে সাইট ঠিক করে বিল্ড করলে এক মাসের মধ্যে এডসেন্স এপ্রুভাল পেয়ে যাবেন।এডসেন্স সিকিউরের কথা বললে এটাও সেভ কিন্তু ব্লগারের মত না।আপনি বিভিন্ন প্লাগইন ব্যবহার করে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস সাইট সিকিউর করতে পারেন।



৮. ব্যাকআপ এন্ড ইম্পোর্ট


ব্লগার বনাম ওয়ার্ডপ্রেস এ আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য এটি।ব্যাকআপ সকল সাইটেরই প্রয়োজন।
এতে আপনার সাইট সিকিউর থাকে।আপনি ব্লগার ব্যবহার করুন কিংবা ওয়ার্ডপ্রেস দুইটায় খুব সহজে ব্যাকআপ নিতে পারেন।


ব্লগারে ব্যাকআপ নেওয়া অনেক সোজা। সরাসরি সেটিংস এ গিয়ে ম্যনেজ ব্লগ গেলে ব্যাকআপে ক্লিক করে ফুল সাইটের ব্যাকআপ নিয়ে নিতে পারেন। আবার ইম্পোর্ট এ ক্লিক করে ব্যাকআপ ফাইল আপলোড করলে আগের জায়গায় সব ফিরে আসে।


ওয়ার্ডপ্রেসে ব্যাকআপ এবং ইম্পোর্ট করা অনেক সোজা।শুধু মাত্র প্রয়োজনিয় প্লাগইন ব্যবহার করুন আর খুব সহজে ব্যাকআপ নিয়ে নিতে পারবেন আবার ইম্পোর্ট ও করতে পারবেন



৯. এসইও র সুবিধা


যেই প্লাটফর্ম ব্যবহার করুক না কেন এসইও সকলেরই প্রয়োজন হয়।এসইও ছাড়া সাইটের মূল্য নাই।ব্লগার বনাম ওয়ার্ডপ্রেসে এক্ষেত্রে ওয়ার্ডপ্রেস অনেক এগিয়ে থাকবে।
ব্লগার এ শুধু মাত্র আর্টিকেল লিখে আপলোড করা যায়। 


এতে বুঝা যায় না যে কোন পেয়েন্টি ভুল করেছেন।এতে করে আপনার আর্টিকেল কোয়ালিটি সম্পূর্ণ হওয়া সত্বেও গুগলে রেঙ্ক করাতে পারে না।



এর জন্য ওয়ার্ডপ্রেস অনেক অনেক এগিয়ে।ওয়ার্ডপ্রেসে এসইও করার জন্য অনেক প্লাগইন রয়েছে।যেগুলো এক্টিভ করে দিলে আপনি যখনই আর্টিকেল আপলোড করতে যাবেন আপনাকে কি করতে হব সব জানতে পাবেন।এতে করে আপনার পোস্ট করা মাত্র এসইও হয়ে যায়।





ব্লগার গুগলের একটি সাইট।এখানে গুগল ফ্রি সাইট বিল্ড করার সুযোগ দিয়ে থাকে।
অপরপক্ষে ওয়ার্ডপ্রেসে সাইট তৈরি করতে হোস্টিং কিনতে হবে এবং কোন হোস্টিং কোম্পানি ফ্রিতে হোস্টিং দেয় না।



ওয়ার্ডপ্রেসে সাইট তৈরি করতে নগদ টাকা খরছ করতে হবে।

ব্লগারে সাইট তৈরি করতে টাকা খুব কম লাগে। শুধু মাত্র একটা ডোমেইন কিনে সেটিকে ব্লগারের সাথে কানেক্ট করে ব্লগিং শুরু করতে পারেন।


সমস্যা :

ব্লগারে যখন আপনি ব্লগিং শুরু করবেন কিছু দিন পর যখন আপনার সাইট খুব ভালো চলবে তখন ব্লগারের লিমিটেশন সম্পর্কে জানতে পারেন তখন আপনার মন খারাপ হয়ে যাবে। কারন ব্লগারে কখন বাড়তি কোন কিছু লাগানো যাবে না।


ব্লগার শুধুমাত্র এইচটিএম, সিএসএস, জাভাস্ক্রিপ্ট (html, css, javascript) দ্বারাই চলে। এখানো বাড়তি কোন ভাষার সাপোর্ট পাবেন না।যেমন - পিএইচপি, রুবি, পার্ল (php, ruby, pearl) । কোন এক্সটেনশন, এডওন ব্যবহার করা যায় না।



যদি করতে হয় নিজে একজন ভালো মানের কোডিং জানা লোক হতে হয় যদি আপনি ব্লগারে কাজ করতে চান।নতুন ব্লগিং শুরু করতে চাইল হ্যাঁ ভাই ব্লগারই ঠিক একটু কাজ শিখা একটু আর্নিং করা করতে পারেন।

যদি আপনি গ্রো করতে চান, ব্যান্ড বিল্ড করতে চান এবং ব্লগিং ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চাও তো তাদের জন্য ওয়ার্ডপ্রেস একমাত্র সামাধান।


 ব্লগার ওয়ার্ডপ্রেস এর মধ্যে পার্থক্য


ওয়ার্ডপ্রেসে আনলিমিটেড থিম, প্লাগইন পেয়ে যাবেন।প্লাগইন তো এইরকমও আছে যেগুলো সব কিছুকে কাস্টমাইজ তরতে পারো।যদি এসইও করতে চান তার জন্যও প্লাগইন আছে, আবার মকইগ্রেট করতে চান তার জন্যও প্লাগইন আছে।যদি টুল ওয়েবসাইট বানাতে চান যেমন - ইমেজ কম্প্রেসর, পিডিএফ কনভার্টার, ইউটিউব ভিডিও;থাম্বনেইল ডাওনলোড ইত্যাদি তবে আপনাকে ওয়ার্ডপ্রেসই বেচে নিতে হবে।


ওয়ার্ডপ্রেসে সম্ভব হয় কারন ওয়ার্ডপ্রেসে পিএইচপি (php) এ্যালাউ হয় তার মাধ্যমে আপনার সাইটকে যেরকম ইচ্ছে সেরকম বানাতে পারেন।

আপরদিকে ব্লগারে কোন প্রকারের কোন কাস্টমাইজেশন পাওয়া যায় না।

পরামর্শ :

আপনি যদি ব্রগিং নতুন হন টাকা পয়সা ব্যবহার কম করতে চান তাহলে ব্লগার ব্যবহার করুন।যখন আপনার সাইট গ্রো হওয়া শুরু করবে তখন আপনাকে ওয়ার্ডপ্রেসে চলে আসতে হবে।তখন কিছু আয় করে ভালো মানের হোস্টিং ব্যবহার করে ব্লগিং করবেন।



ডোমেইন এবং হোস্টিং এর জন্য বাংলাদেশের এক নাম্বার প্রোভাইডর কোড পর হোস্ট দেখতে পারেন।এখানে রয়েছে নিত্যনতুন ডিসকাউন্ট। কোড পর হোস্টের সবচেয়ে ভালো দিক হলো সাপোর্ট টিম।খুব ভালো সাপোর্ট দেয় তারা।





Post a Comment

অপেক্ষাকৃত নতুন পুরনো