Check Now


make money from blog


ব্লগিং করে বর্তমানে অনেকে প্রতিষ্টিত। ব্লগ থেকে আয় করা আজ অনেকে নিজেদেন পেশা হিসেবে নিয়েছে। ব্লগ থেকে আয় করা বর্তমানে অনেক সহজ হয়ে গেছে । 

ব্লগ লিখে আয় বর্তমানে অনেক ট্রেন্ড হয়েছে। এখন সবাই ব্লগিং করতে চায় কিন্তু ব্লগিং করতে তারা এতগুলো ভুল যে করে তাতে করে তারা এডসেন্স এপ্রুভাল পায় না বিশেষ করে গুগল এডসেন্স। বর্তমানে গুগলের নিয়ম অনেক কঠিন হয়ে গেছে এতে করে অনেকেই এডসেন্স এপ্রুভাল না করতে পেরে ব্লগিং ছেড়ে দিয়েছে। 


• গুগল এডসেন্স পাওয়ার ৭ টি উপায় - এডসেন্স টিপস এন্ড ট্রিকস

• ব্লগারদের দরকারি ৫ টি ফ্রি অনলাইন টুল 



 ব্লগ থেকে কত টাকা আয় করা যায়? 


ব্লগ থেকে আয় কত করা যায় এটা যদিওবা বলা সম্ভব না তবে আপনার যদি আইডিয়া থাকে তাহলে বলা সম্ভব। আপনার ব্লগে দৈনিক ১০০০ ভিজিটর থাকলে আপনার ওয়েবসাইটের এড ১০ ক্লিক পরলে আপনি ৪/৫ $ আয় করতে পারেন যদি মুটামিডি সিপিসি (ক্লিক পার কস্ট) এর কিওয়ার্ড থাকে আর হাই সিপিসি হলেতো কথাই নেই দশগুণ বা বিশগুনও বৃদ্ধি পেতে পারে ।


এজন্য কিওায়র্ড রিসার্চ করা জরুরি। বুঝতেই পারছেন যদি আরো বেশি ক্লিক পরবে আরো বেশি ক্লিক হবে আরো বেশি আয় হবে। এইসব ইংরেজিতে ব্লগিং এর জন্য, বাংলায় কিওয়ার্ডের সিপিসি নেই এই কারনে আয় কম হবে।


• বাংলায় ব্লগিং করে কত আয় করা সম্ভব?


আমার এক পরিচিত বড় ভাই আছে উনি একটা পোস্ট থেকে ৫০০$ এর উপর আয় করেছেন সময়ের সাথে এটি বৃদ্ধি হতে থাকবে। উনার পোস্টটি কোয়ালিটি সম্পূর্ণ ছিল। প্রায় ১,৫০০০০ এর উপর ভিজিটর ছিল। ওই আর্টিকেলটি প্রায় ৪,০০০ ওয়ার্ডের তথ্যবহুল ছিল। বুঝতেই পারছেন কোয়ালিটি আর্টিকেল কতটা জরুরি ব্লগ থেকে আয় করার জন্য।


ব্লগ থেকে আয় করার জন্য ১০ টি ধাপ অনুসরণ করতে হবে, সেগুলো নিম্নে উল্লেখ করা হল - 


১. প্রয়োজনীয় ডিভাইস থাকা আবশ্যক 


ব্লগ থেকে আয় করার জন্য আপনাকে ইন্টারনেট সংযোগ থাকা 

> মোবাইল

> ট্যাব

> ল্যাপটপ

> ডেস্কটপ 

যেকোনো ডিভাইস থেকে করা সম্ভব। আপনি মোবাইল দিয়েও ব্লগিং শুরু করতে পারেন। তবে যদি মোবাইল বা ট্যাপ দিয়ে ব্লগিং করতে চান তাহলে আপনাকে একটু কষ্ট করতে হবে। যদি আপনার কাছে একটি কম্পিউটার থাকে সেটি হতে পারে ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ তাহলে আপনি খুবই স্মুথলি ব্লগিং করে আয় করতে পারেন।


# মোবাইল বা ট্যাবে ব্লগিং করা কষ্টকর কেন?


মোবাইলে বা ট্যাবে ব্লগিং করা যায় তবে একটু সমস্য হতে পারে।

> আপনি মোবাইল বা ট্যাবে হাত দিয়ে টিপতে হয় এতে করে অনেক সময় কোডিং ভুল করতে পারেন।

> আপনি কোন কিছুর উপর ক্লিক করতে চাইলে হয়ত অন্য কোন কিছুর উপর ক্লিক পরে যাবে।

> সর্বোপরি আপনার খুবই বিরক্ত হতে পারেন হতে পারে বিরক্ত হয়ে ব্লগিং ছেড়ে দিলেন।


তাই যদি মিনিমাম একটা পিসি থাকে তাহলে খুবই আরামে ব্লগিং করে ব্লগ থেকে আয় করতে পারেন।



২. একটা নিশ খুঁজে বের করা


ব্লগিং শুরু করার জন্য সবচেয়ে দরকারি যে বিষয়টা সেটা হল একটি নিশ খুজে বের করা। আপনি যে বিষয়ে খুব ভালো জানেন সে বিষয়ে লিখবেন আবার আপনি যে বিষয়টা জানেনই না ঐ সমস্ত বিষয় একদম কাজ করতে যাবেন না।


• ১১ টি ব্লগিং নিশ যেগুলো থেকে আর্টিকেল লেখা ছাড়াই বা কম পরিশ্রমে বেশি লাভ করা যায়।


আপনি জেনে শুনে ভালো করে বুঝে তারপর ঐ বিষয় বা নিশে কাজ করবেন। আপনি হয়ত অন্য কাউকে দেখে ভাবলেন আমিও করি এরপর উত্তেজনা বসত ৪ বা ৫ টা আর্টিকেল লেখবেন এর পর আর কাজ করবেন না এটি অনেক খারাপ হয়ে যায় ব্লগ থেকে আয় করার জন্য।


তাই আপনি সেই বিষয়ে কাজ করুন যে বিষয়গুলো আপনি ভালো জানেন। সেটি যেকোন কিছু হতে পারে। যেমন -


> শিক্ষামূলক ওয়েবসাইট 
> খেলাধুলা সম্পর্কিত ওয়েবসাইট
> রাজনৈতিক বিষয়ে ওয়েবসাইট
> নিউজ ওযেবসাই
> টেকনোলজি ওযেবসাইট
> বিভিন্ন রকমের রিভিউ ওয়েবসাই।


এছাড়াও হাজার হাজার নিশ রয়েছে যেগুলোর উপর আপনি কাজ করতে পারেন। মোট কথা হল আপনি যেটি জানেন বা যেটির প্রতি আগ্রহ বেশি সেটিই করুন।



৩. ভালো মানের ডোমেইন ও হোস্টিং নেওয়া


যারা মনে করেন ফ্রী তে ব্লগিং করবেন তাদের জন্যই ব্লগিং ফ্রীতে করতে পারবেন তবে ফ্রী ব্লগিং করে বেশিদূর এগুতে পারবেন না অর্থাৎ ব্লগ থেকে আয়টাই হবে না। বরঞ্চ আপনার সময়টাই লস হবে আজকাল কিছুই ফ্রীতে পাওয়া যায় না।


 ডোমেইন ও হোস্টিং কী? 


ডোমেইন হল আইপি এড্রেস। প্রত্যেকটা আলাদা আলাদা ওয়েবসাইটের আলাদা আলাদা আইপি থাকে আর ঐ আইপিগুলো মনে রাখা কঠিন তাই ঐ আইপি গুলো মনে রাখার জন্য একটা স্টেন্টার্ড এড্রেসই হলো ডোমেইন। 


আপনার এই আইপি বা ডোমেইনটিকে হোস্ট করার জন্য একটি সার্ভার এর প্রয়োজন হয়ে থাকে এটিই হলো হোস্টিং। একটি ওয়েবসাইট শুরু করার জন্য হোস্টিং অবশ্যই লাগবেই।



আপনি যদি ব্লগার/ব্লগস্পটে ব্লগ শুরু করেন তবে আপনার কোন রকমের হোস্টিং এর প্রয়োজন হয় না। কারন ব্লগার গুগলের একটি সাইট আর গুগল এইগুলা হোস্ট করে দেয় তাই আপনাকে অবশ্যই একটি কাস্টম টপ লেভেল ডোমেইন কিনে ব্লগিং শুরু করতে হবে।


আর আপনি ওয়ার্ডপ্রেস বা অন্য কোন ব্লগিং সাইট যদি ব্যবহার করেন তবে আপনাকে অবশ্যই একটি টপ লেভেল ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনে নিতে হবে।


ডোমেইনের ক্ষেত্রে অবশ্যই টপ লেভেল ডোমেইন হওয়া প্রয়োজন। যেমন-

> .com

>. net

>.org

>.info

>.xyz

>.me

তবে মনে রাখবেন কোন রকমের ফ্রী ডোমেইন ব্যবহার করা যাবে না। যেমন -

>.tk

>.mk


ভালো ডোমেইন ও হোস্টিং কিভাবে কিনব? 


ভালো ডোমেইন ও ভালো হোস্টিং এর জন্য অনেক সাইট রয়েছে। তবে আমাদের দেশের জন্য পেমেন্ট করা অনেক কঠিন হয়ে যায়। তবে আপনার কাছে যদি পেপ্যাল একাউন্ট বা ইন্টারন্যাশনাল ভিসা কার্ড থাকে তবেই Godady বা Namechep এই ধরনের সাইট ব্যবহার করার পরামর্শ দিব। এরা অনেক ভালো সার্ভিস দেয়।


যদি আপনার কাছে পেমেন্ট করার কোন ওয়ে না থাকে তাহলে আপনাকে দেশি কোম্পানি বা সাইটের উপর নির্ভর করতে হবে। তখন আপনাকে অবশ্যই বাংলাদেশের এক নম্বর ডোমেইন ও হোস্টিং প্রোপাইডর কোম্পানি CodeForHost ব্যবহার করা উচিৎ। আপনি ডোমেইন ও হোস্টিং কিনার সময় "BLOGGERBD" কোডটি ব্যবহার করে ডিসকাউন্ট পেতে পারেন। 


এরা দেশের পাশাপাশি ইন্টারন্যাশনালি কাজ করে এবং খুবই ভালো সার্ভিস পাওয়া যায়। তাদের সাপোর্ট টিম খুব ভালো রেসপন্স করে,নিচে একটা স্ক্রীনসর্ট দেওয়া হল।


code for host best hosting providor in bangladesh
code for host support 24 x 7


৪. প্রয়োজনীয় প্লাটফর্ম বাছাই করা


প্রয়োজনীয় প্লাটফর্ম বাছাই করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আপনি ব্লগিং এর জন্য অনেক প্লাটফর্ম পেয়ে যাবেন। যেমন -


> Blogger/blogspot 

> Wordpress

> Zyro

>Site123

>wix


তবে ব্লগিং এর জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় বা বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি সাইট হল ব্লগার/ব্লগস্পট, ওয়ার্ডপ্রেস।


• ব্লগার বনাম ওয়ার্ডপ্রেস ; ব্লগিং এর জন্য কোনটি সেরা?


আপনি যদি একেবারে কিছুই না জেনে থাকেন ব্লগিং সম্পর্কে তবে ব্লগার দিয়ে শুরু করাই ভালো। তবে আমি হাইলি রেকমেন্ড করব ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে শুরু করার। কেন জানতে ওয়ার্ডপ্রেস বনাস ব্লগার দেখুন।



৫. ভালো থীম নির্ধারন করা


ব্লগ থেকে আয় করার জন্য প্রয়োজন ভালো সাইট। আর ভালো সাইটের জন্য প্রয়োজন একটি ভালো থীম ব্যবহার করা উচিৎ । ভালো থীম হল ঐ গুলো যেগুলো একটু লাইটওয়েট এবং পাস্ট থীম ব্যবহার করা।


# কোন থীম ব্যবহার করব?


>ব্লগার

আপনি যদি ব্লগার ব্যবহারকারী হন তাহলে সেখানে অনেক রকমের থীম পেয়ে যাবেন। বিভিন্ন ক্যাটাগরি অনুযায়ী বিভিন্ন রকমের থীম পেয়ে যাবেন। তবে ব্লগ সাইটের জন্য কিছু সেরা থীম নিম্নে দেওয়া হল -

> Newspaper 10

> Magify

> Notable (এডসেন্স এর জন্য খুবই ভাল)


>ওয়ার্ডপ্রেস 

বেশিরভাগ লোকই ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারকারী। আর ওয়ার্ডপ্রেসেতো থীমের অভাব নেই। এমন কোন ক্যাটাগরি নেই যে ওয়ার্ডপ্রেসের থীম নেই। ওয়ার্ডপ্রেসে ব্লগের জন্য সেরা কিছু থীম নিম্নে দেওয়া হল -


> Newspaper

>Magazine

>Hestia




থীম নির্ধারনের আগে কিছু সতর্কতা -


> আপনি যদি চান প্রিমিয়াম থীমও নিতে পারেন এটাই ভালো হবে। তবে একজন বিগেনার হিসেবে কখনই প্রিমিয়াম থীম ব্যবহার করার জন্য বলব না।


> তবে ইন্টারনেটে অনেক ক্রাক বা নাল প্রিমিয়াম থীম ফ্রীতে পাওয়া যায় এগুলো কখনোই ব্যবহার করবেনা না।


> থীম বাছাই করার সময় থীমটি সমস্ত ডিভাইস প্রেন্ডলি কিনা যাচাই করে নিন।



৬. ওয়েবসাইট ভালোভাবে কাস্টমাইজ করা



আর ভালো থীম ব্যবহার করে ভালো করে ইউজার প্রেন্ডলি করে কাস্টমাইজড করে তুলতে হবে। যাতে করে এটি দেখতে অনেক সুন্দর পরিপাটি হয় এবং লাইটওয়েট রাখার চেষ্টা করবেন। আপনাকে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে যাতে সাইটের হোম পেইজ ঠিক থাকে। এতে হেডার, ফুটার, মেনু, ক্যাটাগরি ইত্যাদি অবশ্যই থাকতে হবে।



গুগল অ্যাডসেন্স এর জন্য কিছু দরকারী পেইজ থাকবে সেগুলো যাতে হেডার এবং ফুটারে থাকে।সেগুলো হলো -

> About Us

> Contact Us

> Privacy Policy 

> Terms And Conditions 


সাথে সোশ্যাল সাইটতো থাকতে হবে। আর কনটেন্ট শেয়ার করার জন্যও সোশ্যাল সাইট থাকতে হবে।এই সমস্ত জিনিসের মাধ্যমে আপনার ব্লগ সাইটকে ভালোভাবে কাস্টমাইজড করে নিতে হয়।



৭. নিয়মিত আর্টিকেল পাবলিশ করুন


ব্লগ থেকে আয় করতে অবশ্যই এই পয়েন্ট অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আপনাকে অবশ্যই নিয়মিত আর্টিকেল পাবলিশ করা অনেক জরুরি। নিয়মিত আর্টিকেল পাবলিশ করার সময় কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে।


(i) কপি করা থেকে দূরে থাকুন


অনেক বিগেনার আছে যারা না বুঝে ব্লগিং করে এবং কপি করা শুরু করে। এটি অনেক অনেক প্রয়োজনীয় একটা বিষয়। আপনাকে কোথাও থেকেও একটা লাইনও কপি না করে সম্পূর্ন নিজে ১০০% ইউনিক আর্টিকেল লেখতে হবে। আপনি হয়ত ভাবলেন যে বই থেকে একটু, ওখান থেকে একটু এখান থেকে একটু কপি করে চালিয়ে দেবেন এমনটা মোটেও করা চলবে না।


(ii) বড় আর্টিকেল লেখা


যদি ব্লগ থেকে আয় করতে চান তবে অবশ্যই বড় আর্টিকেল অনেক প্রয়োজনীয়। বড় আর্টিকেল এমন হতে হবে যাতে অনেক তথ্য থাকে, কোন আবল-তাবল লেখলে হবে না। চেষ্টা করবেন সব ১০০০+ ওয়ার্ডের বেশি হওয়া উচিৎ। এতে করে সে আপনার প্রতি বিশ্বাস বেড়ে যাবে এবং অন্য পেজ গুলোতে ভিজিট করবে। দীর্ঘ ওয়ার্ডের আর্টিকেল এর মাধ্যমে আপনার সাইটের বাউন্স রেটও কমবে।


• বাউন্স রেট কি? কিভাবে বাউন্স রেট কম করব?


(iii) রুটিন তৈরি করে নেওয়া


আপনি যদি একদিন আর্টিকেল পোস্ট করে সাতদিন না করে আবার একটা করে দুদিন পর আরেকটা পোস্ট করেন এটা গুগলের কাছে নেগেটিভলি যায়। গুগলের ক্রাউল ভাবে আপনি ব্লগিং সিরিয়াসলি নিচ্ছেন না। আপনি একটা রুটিন করে পোস্ট করবেন যাতে সাপ্তাহে ৪/৫/৬ টা বড় রকমের পোস্ট দেওয়া যায়।



৮. ওয়েবসাইটে এডসেন্স এপ্রুভাল নেওয়া



ব্লগ থেকে আয় করার জন্য এই এডসেন্সই বেশি জনপ্রিয়।


• এডসেন্স ছাড়া আর কোন ভাবে আয় করা সম্ভব

• গুগল এডসেন্স পাওয়ার জন্য ১০ টি ধাপে সাজানো চেকলিস্ট 

তাই আপনাকে অবশ্যই এডসেন্স এপ্রুভাল নিতেই হবে। তবে বেশিরভাগ লোকই এই ক্ষেত্রে গুগল এডসেন্স ব্যবহার করে, কারন গুগল অনেক বেশি পরিমানে পে করে থাকে। এছাড়াও অনেক এডসেন্স অল্টারনেটিভ রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে। যেমন -



৯. ওয়েবসাইটে এড বসানো


ওয়েবসাইটে যদি এডসেন্স এপ্রুভাল থাকে তবে যদি এড কোড না বসান তাহলে ব্লগ থেকে আয় করতে পারবেন না। এডসেন্স এপ্রুভালের পর আপনাকে এডসেন্স থেকে পাওয়া এড কোড গুলো ওয়েবসাইটের বিভিন্ন জায়গায় ব্যবহার করতে হবে।


তবে এক্ষেত্রে অনেক কিছু বিষয় খেয়াল করতে হবে।



> ওয়েবসাইটে কখনোই অতিরিক্ত এড বসাবেন না। সাইটে৷ হোম পেজে সর্বচ্চো চারটা এড বসাতে পারেন তবে আমি বলব সেটি তিনটা হলেই ভালো হয়। একটা হেডারে একটা সাইডে আরেকটা ফুটারে।এছাড়াও পোস্টের ভিতরে একটা এড এবং একটা টেক্সট এড বসাতে পারেন এতে করে সাইট একটু পরিষ্কার থাকতে পারে।


> কখনোই নিজে নিজের এডে ক্লিক করবেন না অতিরিক্ত লোভ করে নিজের এডে নিজে ক্লিক করতে থাকলে আপনি গুগলের এডসেন্স হারাতে পারেন।



১০. এডসেন্স থেকে পেমেন্ট উইথড্র করা


ব্লগ থেকে আয় করার সর্বশেষ ধাপ হলো টাকা হাতে পাওয়া। এটা আপনাকে অনেকটুকু উৎসাহিত করতে পারে। আমি প্রথম যেদিন টাকা পেয়ে ছিলাম সেই দিনটার কথা আজও ভুলি নাই।


বাংলাদেশিদের জন্য জটিল পেমেন্ট সিস্টেম যেকোন ইন্টারন্যশেনাল মাধ্যমে থেকে টাকা আনতে। সেইরকমে বাইরে নেই গুগল ওডসেন্স।গুগল এডসেন্স সাপোর্ট করা পেমেন্ট মেথড গুলো নিম্নরূপ -


> PayPal

> Direct Bank

> International Master Card

>International Visa card


আপনার জন্য সবচেয়ে সহজ মাধ্যম ব্যাংক হতে পারে। তবে বাংলাদেশে হলে ডাচ্ বাংলা ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক এবং অগ্রনী ব্যাংক ব্যবহার করা ভালো।


যদি আপনার ব্লগ থেকে আয় করার ইচ্ছে থাকে তবে অবশ্যই আপনাকে অবশ্যই উপরের ধাপগুলো ফলো করতে হবে। এতে করে আপনি বুঝতে পেরেছেন যে কিভাবে ব্লগ থেকে আয় করা যায়। আপনার কি মতামত কমেন্টে জনিয়ে দেন ব্লগিং সম্পর্কে।

2 মন্তব্য

  1. ব্লগিং এর ক্ষেত্রে পেমেন্ট মেথড হিসাবে কি Bkash ব্যবহার করা যাবে?

    উত্তর দিনমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. না, ব্লগিংয়ের ক্ষেত্রে পেমেন্ট মেথড হিসেবে বিকাশ নেই শুধুমাত্র ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে পেমেন্ট পেয়ে থাকে ব্লগাররা

      ধন্যবাদ

      মুছুন

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

অপেক্ষাকৃত নতুন পুরনো