Check Now

 

গুগল এডসেন্স পাওয়ার  উপায়


দ্রুত গুগল এডসেন্স পাওয়া আজকাল সবারই চাই।সবাই পেতে তো চায় কিন্তু এত এত ভুল করে যে গুগল এডসেন্স এর জন্য বার-বার রিকোয়েস্ট করা শর্তেও এডসেন্স পাওয়া যায় না।



• ব্লগারদের দরকারি ৫ টি অনলাইন টুল




গুগল এডসেন্স পেতে হলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জেনে নিতে হবে যেগুলো না জানা থাকলে আপনি সারা জিবনেও এডসেন্স পাবেন না।গুগল এডসেন্স পাওয়ার জন্য তেমন কিছু টিস শেয়ার করব।


 
গুগল এডসেন্স পাওয়ার জন্য আমাদের গুগলের কাছে আবেদন করতে হয়।আর গুগলের মতো টেক জায়ান্টের কাছ থেকে এডসেন্স পেতে হলে কিছু নিয়ম মেনে কাজ করতে হয় তবেই এডসেন্স এপ্রুভাল হয়।


 
গুগলকে যদি আপনার সাইটে তাদের এড বসাতে বলেন তবে সেটার একমাত্র উপায় হল গুগল এডসেন্স। আর গুগল যে এড দে সেগুলোতে যে পরিমান আর্নিং দেয় সেগুলো আর কোন অল্টারনেটিভ দেয় না।


 

• বাংলায় ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায়?


নিম্নে দেখতে পাবেন ---
 গুগল এডসেন্স পাওয়ার ৭ টি টিপস- দ্রুত গুগল এডসেন্স পাওয়ার নিয়ম

১. কপিরাইট কনটেন্ট পরিহার করা

২. ব্লগে পোস্টের আকার

৩. টপ লেভেল ডোমেইন এবং হোস্টিং

৪. অত্যাবশ্যকীয় কিছু পেজ

৫. ভিজিটর

৬. ব্লগ বা ওয়েবসাইটের বয়স

৭. পোস্ট সংখ্যা


১. কপিরাইট কনটেন্ট পরিহার করা


গুগল এডসেন্স পেতে হলে আপনাকে নিম্নে প্রদান করা কিছু বিষয় খেয়াল করতে হবে যেগুলো আপনার ব্লগের মধ্যেই রয়েছে।তাই এগুলো খেয়াল করে কাজ করতে পারলে অবশ্যই গুগল এডসেন্স পাবেনই।


 
কপিরাইট কনটেন্ট ব্যবহার করা হতে পারে চরম একটি ভুল। অনেক অনেক বিগেনার আছে যারা কিছু না বুঝেই এখান থেকে একটু ওখান থেকে একটু কপি করে কাজ চলিয়ে নেয়।
 
বিপরীতে তারা গুগল এডসেন্স বার বার এপ্লাই করার পরও পায় না।গুগল এডসেন্স পাওয়া - র জন্য আপনাকে অবশ্যই ইউনিক আর্টিকেল লিখতে হবে।
আপনি যতটাই লিখবেন না কেন আপনার সম্পূর্ণ নিজের হওয়া চাই।আর বর্তমানে ২০২০ সালে এসে গুগল এই ব্যাপারটা নিয়ে অনেক সিরিয়াস। 


 
আপনি যতটুকুই কনটেন্টই কপি করেন না কেন সেটা হতে পারে আপনার সাইটের জন্য হুমকি।
আপনার যদি সত্যি সত্যি গুগল এডসেন্স পেতে চান অবশ্যই আপনাকে ইউনিক কনটেন্ট লেখা জরুরি । যদি আপনি বুঝতে পারেন তবেই ব্লগিং আপনার জন্য।আপনি যতবার বিষয়টিকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবেন ততবার সফল হবেন।


 
বর্তমান সময়ে এসে শুধু এডসেন্স এর জন্যই নয় আপনার কনটেন্ট এসইও করার ক্ষেত্রেও এটি অনেক জরুরি। সো এই বিষয়টা খেয়াল রাখবেন।


 

২. ব্লগে পোস্টের আকার


 
ব্লগের পোস্টের আকার কেমন হবে এটা নিয়ে অনেকের প্রশ্ন বা চিন্তা থাকে।আমি অনেক বিগেনারকে দেখেছি যারা ব্লগের পোস্টের আকার কিরকম হয় সেটা জানে না।


 
অনেকেতো দুই তিন লাইন লিখে শেষ করে পেলে। আপনার ব্লগের পোস্টের ওয়ার্ড হওয়া চাই ২০০ এর উপর। এটা গুগলের রুলস। আপনার প্রত্যেকটা আর্টিকেলের ওয়ার্ড ২০০ এর উপর হতে হবে।


 
যেহেতু বিষয়টা গুগল এডসেন্স এর সেহেতু প্রত্যেকটা পোস্টের আকার হওয়া উচিত ৫০০।তবেই আপনি নিশ্চিত হতে পারবেন এডসেন্স এর ক্ষেত্রে।যেহেতু বর্তমানে গুগল তাদের নিয়মগুলো অনেক কড়া করে পেলেছে।


 
আর যদি আপনার আর্টিকেল এসইও করে রেঙ্ক করাতে চান তবে অবশ্যই আপনাকে প্রত্যেকটা আর্টিকেলে ৮০০/১০০০ এর উপর ওয়ার্ডে লিখতে হবে।তা না হলে সহজে রেঙ্ক করাতে পারবেন না।


 
#গুগল এডসেন্স পেতে কয়টা আর্টিকেল পোস্ট করতে হয়


 
গুগল এডসেন্স পেতে কয়টি আর্টিকেল লিখতে হয় তার কোন ঠিক নেই।আপনি অনেক কম পোস্ট করেও পেতে পারেন আবার অনেকগুলো করার পরও না পেতে পারেন।গুগল নির্দিষ্ট করে এই সম্পর্কে কিছু বলে নাই।
 


তবে আপনার যদি গুগল এডসেন্স পাওয়ার ইচ্ছে থাকে তবে অবশ্যই ৫০০ ওয়ার্ডের ইউনিক আর্টিকেল লিখতে হবে।তবেই গুগল এডসেন্স পাওয়া যায়।কারো কারো কনটেন্ট ভালো থাকলে আরও কমেও পাওয়া যায়।


 

৩. টপ লেভেল ডোমেইন এবং হোস্টিং


 
আপনি যদি ব্লগিং করার ইচ্ছে থাকে অথচ টাকা খরছ করার ইচ্ছে না থাকে তবে ব্লগিং আপনার জন্য না।আপনাকে অবশ্যই একটি টপ লেভেল ডোমেইন (.com/.net/.org/.info/.xyz/.me ইত্যাদি) ও একটি হোস্টিং (1gb,3gb,5gb,10gb) কিনে নিতে হবে।আপনি কোন সাইট ব্যবহার করছেন সেটার উপরও নির্ভর করে। 


 
#ওয়ার্ডপ্রেস


 
ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ফ্রি ব্লগিং জিবনেও সম্ভব নয়। আপনাকে অবশ্যই একটি টপ লেভেল ডোমেইন এবং সাথে হোস্টিং কিনে নিতে হবে।


 
কম টাকায় ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনুন বাংলাদেশর সেরা সাইট থেকে। (২০% ছাড়) 
আপনাকে অবশ্যই এইগুলো ক্রয় করে ব্লগিং জার্নি শুরু করতে হবে।

 
#ব্লগার 
 
আপনি যদি ব্লগার ব্যবহার করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে একটি টপ লেভেল ডোমেইন কিনে নিতে হবে।আর এথানে হোস্টিং কিনার কোন দরকার নেই কারন ব্লগার গুগলের সাইট তাই তারা হোস্টিং ফ্রি দিয়ে থাকে।


 

• ব্লগার বনাম ওয়ার্ডপ্রেস কোনটি আপনার জন্য সেরা?


 

৪. অত্যাবশ্যকীয় কিছু পেজ


 
গুগল এডসেন্স পেতে হলে অবশ্যই কিছু অত্যাবশ্যকীয় পেজ থাকা দরকারে। তাই আপনাকে সেগুলো তৈরি করতে হবে।এইগুলো আপনার সাইটের জন্য খুবই প্রয়োজন গুগল বেরিফাইয়ের জন্য।
জেনে নেওয়া যাক কোন পেজ গুলো দরকার এবং কিভাবে তৈরি করতে হয় সেগুলো। 


 
#contact us (যোগাযোগ) 


 
এই পেজে সাইটের মালিকের সাথে যোগাযোগ করার জন্য বলা হচ্ছে। তাই এখানে আপনার সাথে যোগাযোগ করার মত কিছু তথ্য দিলেই হয়।তবে আপনারা চাইলে নিম্নরূপ করতে পারেন।
You need to mail us to contact us. Mail address " your e-mail" 




#about us (আমাদের সম্পর্কে) 
 

এই পেজটিও খুব দরকারি।এখানে আপনার সাইটি সম্পর্কে কিছু বলতে হবে।আপনার সাইট কেমন কি করা হয় এই সব।এই পেইজটি এক ক্লিকে তৈরি করতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন। এর পর আপনার সব তথ্য দেন এবং খুব দ্রুত একটা about us পেজ তৈরি করে পেলুন।


 

#terms and conditions (নির্দেশনা এবং শর্তাবলি)


 
এই পেজটা অনেক জরুরি। এটি আপনার সাইটের জন্য কিছু দিক নির্দেশনা এবং শর্তারোপ করাকে বুঝায়।এটিও খুব সহজে তৈরি করা যায়।তৈরি করতে প্রথমে এখানে ক্লিক করুন।এর পর সম্পূর্ন তথ্য দিয়ে পেজটি তৈরি করে পেলুন খুব দ্রুত


 
#Privacy policy (গোপনীয়তা নীতি)

 
এই সাইটিও গুগলের তাছে এডসেন্স এর আবেদন করার জন্য দরকার। এখানে আপনার সাইট সম্পর্কে কিছু রুলস রয়েছে যেগুলো আপনার সাইটের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য লুকিয়ে রাখতে পারে।
 
এটিও খুব সহজে তৈরি করতে পারেন ইন্টারনেট থেকে।এটি পেতে এখানে ক্লিক করুন। এর পর সব তথ্য দিয়ে মুহূর্তের মধ্যে একটি privacy policy তৈরি করে পেলুন।
আপনি যদি চান এই পেজগুলো আপনার নিজের মতো করে তৈরি করবেন তাও করতে পারেন। সেক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন সবকিছু ঠিক আছে কি না।


 
৫. ভিজিটর লাগে?


 
গুগল এডসেন্স পেতে কত জন ভিজিটর লাগে এইরকম কোন নিয়ম নেই।ভিজিটর নিয়ে গুগল কিছু বলে নাই বিধায় বুঝা যায় এখানে যত জন হচ্ছে হউক হতে পারে।এডসেন্স এপ্রুভাল পেতে কোন সমস্যা হবে না।


 
আপনার সবকিছু ঠিক ঠাক থাকলে ০ (শূন্য) ভিজিটর দিয়েই এডসেন্স এপ্রুভাল পেয়ে যাবেন।আর যদি ঠিক না থেকে লক্ষ লক্ষ ভিজিটর তারপরও কিছু হবে না।


 
• গুগল এডসেন্স পেতে হলে আপনার সাইটের জন্য ধাপে ধাপে যে ১০ টি কাজ করতে হবে তার চেকলিস্ট এখানে পেয়ে যাবেন। (আপনি যদি এখানের প্রত্যেকটা ধাপ ফলো করেন এডসেন্স এপ্রুভ নিশ্চিত) 
 


গুগল এডসেন্স পেতে হলে ভিজিটর কোন ফেক্ট হবে না।আপনার সবকিছু ঠিক থাকলে আজকেই এপ্লাই করে দিন। আবারো বলে দিলাম চেকলিস্টটা মিলিয়ে নিবেন সব ঠিক আছে কি না।


 

৬. ব্লগ বা ওয়েবসাইটের বয়স


 
আবারো যদি গুগলের কথায় আসি গুগল আপনার সাইটের বয়স সম্পর্কে কিছুই বলে নি।বরং গুগল আরো চায় আপনি কত দ্রুত সবকিছু ঠিক করে তাদের সাথে যোগ দিতে পারেন।তকই এটাও কোন ফেক্ট না গুগল এডসেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে। 


 
আপনার যদি একটি ব্লগ সাইট থাকে এডসেন্স এপ্রুভাল না করে থাকেন তবে আপনার জন্য বলছি এখুনি এডসেন্স এর জন্য এপ্লাই না করাই ভালো।আপনাকে ভারো করে দেখে নিতে হবে আপনার সাইটের বয়স মিনিমাম ২৫-৩০ দিন হলেই ভালো হয়।


 
আর এছাড়াও আপনার সাইটে যদি ভালো পরিমান ট্রাপিক থেকে থাকে তাহলে একটু ধীরে এগুনোটাই বুদ্বিমানের কাজ হবে। কারন আপনার সাইটটা তখন খুব ভালো চলবে।যখন আপনি এডসেন্স এর এড লাগাবেন আপনার সাইট স্লো হয়ে যাবে।


 
তাই সাইটে আগে ভালো পরিমান একটা ট্রাপিক এসে খুব ভালো চলে তারপর এডসেন্স এপ্লাই করা হবে প্রপেশনাল ব্লগারদের কাজ।আর আপনার যদি লোভ করে দিয়ে দিতে চান তবে একটু কম আর্নিং আসতে পারে।


 

৭. পোস্ট সংখ্যা


 
পোস্ট সংখ্যা নিয়েও গুগলের সমস্যা নেই। তবে যে সমস্ত আর্টিকেল লেগবেন আগেও বলেছি এখনো বলছি ১০০% ইউনিক করে লিখবেন। যাতে গুগল এডসেন্স পেতে কোন রের কোন সমস্যা না হয়।
 


আপনি চাইলে ১০ টা ভালো মানের কনটেন্ট লিখে গুগল এডসেন্স পেতে পারেন আবার ১০০০ টা বাজে কনটেন্ট লিখেও এডসেন্স পাবেন না।


তবে আনি যদি সিউর হয়ে এডসেন্স এপ্রুভাল চান তবে অবশ্যই আপনাকে ২০-২৫ টা ইউনিক আর্টিকেল লিখতে হবে।যাতে করে সিউর করে বলতে পারেন আমি এডসেন্স পাবোই কোন দ্বিধা দন্ড থাকা চলবে না।
 
উপরের প্রত্যেকটা নিয়ম মেনে চললে আপরি গুগল এডসেন্স ৯৯% পেয়ে যাবেন।যদি কোন কারনে না পান তাহলে বুঝবেন গুগলের থেকে কোন স্যা হয়েছে তাই কিছু না করে দ্বিতীয় বার এপ্লাই করে দিলে হবে চাইলে আরো একটা বা দুইটা আর্টিকেল এড করে দিতে পারেন।

• ১১ টি ব্লগিং নিশ যেগুলো দ্বারা কাজ করলে খু দ্রুত সফল হওয়া যায়।
 
আশা করি সব বুঝতে পেরেছেন। কোন স্যা থেকে থাকলে বা আপনার আর্টিকেলটি ভালো লাগলে কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না।


 

2 মন্তব্য

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

অপেক্ষাকৃত নতুন পুরনো