Category

কিভাবে স্মার্ট হতে হয়? স্মার্ট হওয়ার সহজ ও কার্যকর উপায়

কিভাবে স্মার্ট হতে হয়? স্মার্ট হওয়ার সহজ ও কার্যকর উপায়


কিভাবে স্মার্ট হতে হয় সকলের-ই জানার আগ্রহ থাকে। কিন্তু তারা জানে না স্মার্ট হওয়ার সহজ ও কার্যকর উপায়।এ-স্মার্ট হওয়া মানে দামি কাপড়,চোখে চশমা,চুল উপরে করে ঘুরে বেড়ানো নয়। 


একজন ব্যক্তি তার নিজের গুণাবলী দিয়ে তার স্মার্টনেস সকলের সামনে তুলে ধরে। হোন আপনি একজন নারী অথবা একজন পুরুষ আপনাকে স্মার্টনেস আনতে হলে অবশ্যই আপনাকে নিজের পরিবর্তন করতে হবে।


একবার চিন্তা করে দেখুন, আপনি এখন কি অবস্থায় আছেন এবং আপনি কি অবস্থা যেতে চান। চিন্তা করে দেখুন, কি কি পরিবর্তন করতে হবে? এখানে স্মার্ট হওয়ার সহজ ও কার্যকর উপায় এর সাথে কিছু টিপস শেয়ার করব। যে গুলো ফলো করে আপনি আপনার লাইফটাকে আগের চেয়ে আরো একটু বুস্ট করে নিজের মধ্যে স্মার্টনেস নিয়ে আসতে পারেন। 


আপনার কি কখনো অন্য কাউকে দেখে মনে হয়েছে,‌ ইস! আমি যদি এর মতো হতে পারতাম। এই রকমটা হওয়ার প্রধান কারণ হলো সেই ব্যক্তিটি আপনার চেয়ে বেশি স্মার্ট।  বৈজ্ঞানিক ভাবে বলা যায় সেই সমস্ত মানুষ-জন স্মার্টনেসের পাশাপাশি বেশি বুদ্ধিও রাখেন। এটির কারণেই সে অন্যদের থেকে আলাদা।


স্মার্টনেস মানুষের পরিবেশ, পরিবার, বন্ধু, আত্মীয়-স্বজন, চলাফেরা, অভিজ্ঞতা ও অন্যান্য উৎস থেকে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে। এটি হঠাৎ করে হয়ে যাওয়া হয়না।


কেন আমাদের স্মার্টনেস প্রয়োজন হয়?

স্মার্টনেস কেন প্রয়োজন সেটি আমরা কমবেশি প্রায় সকলেই জানি। আপনি যখন রাস্তা দিয়ে হাঁটবেন, যখন স্কুলে কিংবা কলেজে যাবেন, নিজের চাকরিতে যাবে অর্থাৎ আপনি আপনার প্রত্যেক দিনে যাই করুন না কেন, যেখানেই যান না কেন,‌ সেখানে আপনাকে আপনার সাথের মানুষজন বিবেচনা করে আপনি কতটুকু চালাক চতুর বা আপনার কাজের প্রতি আপনি কতটা ডেডিকেটেড সেটি দিয়ে।


এইসব বিষয়গুলো বিবেচনা করলে, প্রকৃত স্মার্টনেস এর প্রয়োজন বেরিয়ে আসে। যদি আপনি সকলের সামনে স্মার্টনেস দেখাতে না পারেন তবে এই সমাজের কাছে আপনার মূল্য অন্যদের তুলনায় একটু কমই হবে। এই কথাটা  শতভাগ সত্য কথা। এখন দেখে নিন কিভাবে স্মার্ট হতে হয়?


স্মার্ট হওয়ার ১০ টি সহজ ও কার্যকর উপায়  নিচে দেওয়া হল ঃ


১।  কোন কিছু জানার আগ্রহ গড়ে তুলুন

সফল ও স্মার্ট হওয়া হঠাৎ করে সম্ভব না আগেও বলেছি। তবে  আপনি কিছু ছোট ছোট কাজ ধীরে ধীরে করতে থাকলে, একটা সময় আপনার নিজের মাঝে একটু পরিবর্তন দেখতে পাবেন। সেই ছোট ছোট কাজের মধ্যে একটি হলো সব সময় জানার আগ্রহ গড়ে তোলা। 

এখন আপনি বলতে পারেন আমি তো কোন ছাত্র বা ছাত্রী না তাহলে আমি কেন জানতে আগ্রহী হব। কমবেশি প্রায় সকল বয়সের এই জানার আগ্রহ থাকা প্রয়োজন সেটা যেটাই হোক না কেন। আপনি একটু খেয়াল করলেই দেখবেন যারা আপনার সমবয়সী একটু স্মার্ট তারা সব সময় সবদিকের সব খবর তাদের কাছে থাকে কারণ তারা সব কিছুই জানতে চায়।


২। অন্যের সঙ্গে কথা শেয়ার করা

 যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কাজগুলোর মধ্যে আপনার পরিবর্তন আসতে পারে সেটির মাঝে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট হল অন্যের সঙ্গে নিজের কথা শেয়ার করা । আর এভাবেই আপনার মাঝে পরিবর্তন আসবেই।  যখনই আপনি নতুন কিছু জানতে পারবেন তখনই সেটাকে কারও সঙ্গে শেয়ার করা  চাইলেও সম্ভব নাও হতে পারে।

কারণ আপনি সেটা কেন কারো সাথে শেয়ার করবেন সেটা তো কোন কারণই নেই তাই আপনাকেই এই ক্ষেত্রে একটু স্মার্ট হয়ে, যেই কথাটা যেখানে বলা উচিত সেখানে বলতে হবে।

এছাড়াও আপনার কোন ক্লোজ কোনো বন্ধু অথবা কোনো  কাজিন যে কেউ হোক না কেন তাকে আপনার মনের কথাগুলো খুলে বলতে পারেন। তাহলে আপনি সবসময় তাদের কাছ থেকে কিছু উপদেশ পাবেন এবং কোন কিছু করতে আগ্রহ পাবেন। এতে করে আপনার স্মার্টনেস ধীরে ধীরে বৃদ্ধি হতে থাকবে।


৩।  অনুপ্রেরণামূলক বা মোটিভেশনাল  স্পিচ শুনুন

স্মার্ট হওয়ার উপায় গুলোর মধ্যে এটি অন্যতম সহজ !

এটি আজ-কালকার লোকের জন্য মারাত্মক প্রকারের একটি সহযোগী হয়ে উঠেছে। আপনি জীবনের যে বয়স এই হোক না কেন যে কোন সমস্যাই হোক না কেন আপনি যদি একটু অনুপ্রেরণামূলক ভিডিও, অডিও অথবা কোন কোন ব্লগ পড়ে নিজের মাঝে অনুপ্রেরণা তৈরি করতে পারেন, তাহলে নিজের সফলতা অন্য আরেকটি ধাপে নিজেকে নিয়ে যাবেন।

আমরা অনেক সময় অনেক স্মার্ট লোককেও ডিপ্রেশনে চলে যেতে দেখেছি। সেই সময় তাদের মাঝে এক ধরনের হতাশা কাজ করে যেটার জন্য তারা সহজে কারও সঙ্গে ঠিকভাবে কথা বলতে পারেনা এবং চায়না । তখন একমাত্র এফেক্টিভ উপায় হল মোটিভেশনাল স্পিচ দেখা।

ইন্টারনেটে হাজার হাজার রকমের মোটিভেশনাল স্পিচ পাওয়া যায়। যেমন- আপনি  নিজের পড়ালেখায় সন্তুষ্ট হতে পারতেছেন না, তাহলে একটু ইউটিউবে গিয়ে স্টাডি মোটিভেশনাল স্পিচ লিখে সার্চ দিলেই হাজার হাজার ভিডিও পাওয়া যাবেন। ঠিক একইভাবে আপনি জীবনে চাকরি থেকে শুরু করে শেষ বয়স পর্যন্ত যেকোনো বয়সেই যেকোনো মোটিভেশন স্পিচ শুনে আপনার হতাশা দূর করে আপনার  স্মার্টনেস সকলের সামনে  তুলে ধরতে পারেন।



৪।  নতুন লোকদের সাথে চলাফেরা করুন অথবা পরিচিত হয়ে নিন

এই গুণাবলী স্মার্টনেস হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যখন এই কোথাও যান না কেন আপনি কারো সাথে পরিচিত হতেই পারেন। তবে যারা যেখানে-সেখানে সহজে একজন অপরিচিত  লোকের সাথে পরিচিত হতে পারে তারাই প্রকৃত স্মার্ট লোক।

 এবার আপনি ভেবে দেখুন আপনি কি কখনো কোথাও গিয়ে কোনো অপরিচিত ব্যক্তির সাথে কথা বলার চেষ্টা করেছেন, তাহলে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন আপনি কি অবস্থায় রয়েছেন।

এছাড়াও চাইলে আপনি কোন বুদ্ধিমান লোকের সাথে চলাফেরা করতে পারেন। এটি মারাত্মক  এফেক্টিভ। আপনার চারপাশে যে সকল বুদ্ধিমান লোক রয়েছে আপনি তাদের সাথে চলাফেরা চেষ্টা করবেন। এতে করে আপনি তাদের অবজার্ভ করে, তারা কিভাবে কথা বলে? কিভাবে চলাফেরা করে? সে গুণাবলী অর্জন করতে পারবেন। স্মার্ট হওয়ার খুবই ভাল একটি উপায় এটি।


৫।  প্রতিদিন ভালো ভালো বই ও সংবাদপত্র পড়তে পারেন

আগেই বলেছি জানার ইচ্ছাটা আপনাকে স্মার্ট হওয়ার ক্ষেত্রে অন্য লেভেলে নিয়ে যাবে। এই ক্ষেত্রে  সেই জানার জন্য ভাল মাধ্যম হতে পারে ভালো ভালো বই পড়া ও নিয়মিত সংবাদপত্র পড়া। এতে করে আপনার মাঝে জানার আগ্রহ বাড়বে এবং আসল কথা হল আপনি জানতে পারবেন।

এটি আপনাকে অন্য দশজনের থেকে এগিয়ে রাখবে, সাথে সাথে এর মাধ্যমে আপনার নিজের সৃজনশীলতা বৃদ্ধি পাবে ফলে আপনার চিন্তাধারার পরিবর্তন হইবে।


এইবার স্মার্ট হওয়ার  কিছু বৈজ্ঞানিক উপায় শেয়ার করব যেগুলো খুবই চমৎকার,সহজ ও কার্যকর।


৬।  পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান

 আমরা সবাই জানি একজন মানুষের জন্য ঘুম কতটুকু প্রয়োজন। বিজ্ঞানীরা ধারণা করেছেন যে, একজন সুস্থ মানুষ যদি টানা ১৫ থেকে ২০ দিন না ঘুমিয়ে থাকে, তবে তার মৃত্যু অবধারিত। এছাড়াও স্মার্ট হওয়ার ক্ষেত্রে কিছু  বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে যারা নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমায় তাদের ব্রেইন সতেজ থাকে। এর ফলে তারা যেকোন সময় যেকোন জায়গায় তাদের সঠিক কাজটি করতে পারে।

 এখন কথা হচ্ছে আপনি কখন ঘুমাবো আর কখন ঘুমাবো না?

দেখুন ভাই,‌ কালকে বা এক মাস পর বা দুই তিন মাস পর আপনার বোর্ড পরীক্ষা অথবা বিসিএ,মেডিকেল এডমিশ্‌ ইঞ্জিনিয়ারিং এডমিশন বা যেকোনো কাজের ক্ষেত্রে হোক না কেন আপনার যদি প্রয়োজনীয় কোন কাজ থাকে থাকে, তাহলে আপনাকে অবশ্যই রাতে একটু জেগে পরিশ্রম দিয়ে  আপনি আপনার সফলতা নিয়ে আসবেন। এটির ক্ষেত্রে  দিনে কতটুকু ঘুমাতে পেরেছি বা ঘুমাবো সেটা নিয়ে চিন্তা করার দরকার নেই।

 এই ঘুমানো ঠিক করা অর্থাৎ কোন সময়টা কতক্ষণ ধরে ঘুমাবো সেটি নির্ধারণ করা একজন স্মার্ট লোকের লক্ষণ।

 যখন আপনি একটু রিলাক্সে নিজের জীবন যাপন পালন করবেন তখন আপনি পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান তাতে আপনার কোন অসুবিধা  হবে না। আবার যখনই আপনার প্রয়োজন আসবে তখনই আপনি নির্দিষ্ট সময় রাত জেগে কাজ করে আপনি সফল হয়ে নিবেন এটি একটি একজন সফল মানুষের গুনাবলী।

 বিশ্বাস করেন ভাই যত নামিদামি পেশার  লোক রয়েছে তারা এইরকমই পরিশ্রম করে সফলতা  এনেছে তাদের জীবনে। যেমন ডাক্তাররা কিন্তু একসময় রাত জেগে জেগে পড়াশোনা করত,  তাই আজ তারা মানুষের মৃত্যু নির্ধারণ করে দিতে পারে।


৭।  নিয়মিত ব্যায়াম করা

আমরা সকলেই জানি ব্যায়াম করলে আমাদের শরীরের জন্য, আমাদের মনের জন্য, আমাদের শারীরিক জীবনযাপনের জন্য খুবই ভালো। কিন্তু যখনই স্মার্ট হওয়ার কথা আসে তখনই বেয়াম আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। আমরাতো টিভিতে অথবা রাস্তাঘাটে অনেক বড় বড়  বডি যুক্ত মানুষজন দেখে থাকি তাদের শারীরিক গঠনেও খুবই আকর্ষণীয় যার ফলে তাঁকে স্মার্ট দেখায়।

এখন বলতে পারেন এতক্ষণ তো বললেন নিজের শারীরিক পরিবর্তন না করে স্মার্ট হওয়া যায় এখন আবার বলতেছেন ব্যায়াম করে শারীরিক গঠন করে ও স্মার্ট হওয়া যায়।

শুধু শারীরিক গঠন করে স্মার্ট হওয়া যায়না ব্যায়াম করার মাধ্যমে আপনি যদি প্রত্যেক দিন অল্প পরিমাণ হলেও নিয়মিত ব্যায়াম করে থাকেন তাহলে আপনার ব্রেইন অন্যান্য দিনের তুলনায় একটু বেশি আপনাকে সাপোর্ট দিবে। এটি বৈজ্ঞানিকভাবে  প্রমাণিত।

আপনার দৈনন্দিন জীবনে কাজ করার ক্ষেত্রে যেহেতু আপনার দৈনন্দিন জীবনে আপনার ব্রেইন আপনাকে সাপোর্ট দিবে  সেহেতু আপনি আগের তুলনায় আরো বেশি মনোযোগী হতে পারবেন। আপনার সমস্ত কাজের ফলে আপনি আরো বেশি স্মার্ট হয়ে উঠতে পারবেন আগের তুলনায়।


৮।  আপনার ব্রেইন কে সঠিক পুষ্টি প্রদান করুন

যখনই আপনার স্মার্ট হওয়ার প্রশ্ন আসে তখনই সবার আগে যে প্রশ্নটি আসে সেটি হলো আপনার ব্রেইন কতটুকু কাজ করতে পারে ।  আপনার ব্রেইন কি অন্যদের তুলনায় একটু লেজি নাকি অন্যদের তুলনায় অনেকটা ভাল অবস্থানে রয়েছে। 

যেহেতু  সহজেই বলা যায় যে অবশ্যই আপনার ব্রেইন আপনার এ স্মার্ট হওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। সেই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটিকে আপনি যদি অবহেলা করেন তাহলে আপনি তো স্মার্ট হয়ে উঠতে পারবেন না বরঞ্চ নিজের লাইফে আরো ব্যর্থ হয়ে উঠবেন।

তাই নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।

তবে আমাদের মধ্যে অনেকেই আবার পুষ্টিকর খাবার বলতে ভালোমন্দ খাওয়া কে বুঝায়। আসলে ব্যাপারটা তা নয় এখানে পুষ্টিকর খাবার বলতে বুঝানো হয়েছে, যেগুলো অল্প হলেও আপনার দেহ এবং আপনার মস্তিষ্কের জন্য খুবই উপকারী।  এগুলোর মধ্যে হতে পারে- বাদাম, সয়াবিন তেল, আমলকি, বিভিন্ন সবজি এবং বিভিন্ন দেশীয় ফল।

এগুলো আপনার ব্রেইন এর পাশাপাশি আপনার ইমিউনিটি শক্তিকেও আরো বৃদ্ধি করে ফেলবে ফলে আপনার রোগ জীবাণু আপনাকে কম স্পষ্ট করতে পারবে।

এখান থেকে সহজে বোঝা যাচ্ছে আপনি যদি আপনার ব্রেইন কে সঠিক ভাবে যত্ন নেন তাহলে আপনার স্মার্ট হওয়া অনেক সহজ হয়ে যাবে।


৯।  সুন্দর ও পরিপাটি বা গুছিয়ে কথা বলুন

এই গুণটি সকলের মাঝে থাকে না তবে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি পয়েন্ট। আপনারা স্মার্টনেস হওয়ার ক্ষেত্রে যখনই আপনি যেখানেই যান না কেন সকলের কাছে আপনি শুদ্ধ ভাষায় সকলের বোধগম্য হয়ে কথা বলার চেষ্টা করুন। যেখানে আপনার পরিবার বন্ধুবান্ধবের সাথে কথা  বলেন সেখানে আর আট-দশজন অপরিচিত লোকের সাথে এভাবে কথা বললে আপনি যে স্মার্ট না সেটি সকলের সামনে নিজের নিজেই প্রকাশ করেছেন এটি বুঝা  যাবে। এটি ইউনিভার্সিটি অফ ভিয়েনার গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে।

 তাই সকলের সঙ্গে সুন্দর করে গুছিয়ে কথা বলার চেষ্টা করুন।


১০।  পরিষ্কার ও পরিপাটি জামা কাপড় ব্যবহার করুন

এখানে আপনাকে একেবারে দামি-দামি জামা কাপড় পড়তে বলা হয়নি। তবে যাই  পড়ে থাকুন না কেন সেটি যেন সবসময় সুন্দর পরিষ্কার এবং দেখতে ভালো লাগে এরকম হওয়া স্মার্ট লোকদের লক্ষণ। আপনি যেখানে একজন সম্মানীয় লোককে লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন যে সে যেখানেই যাক না কেন সে সবসময় একটি সুন্দর পরিপাটি জামা কাপড় পড়ে যায়। এটি  একজন  স্মার্ট লোকের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।


উপরোক্ত স্মার্ট হওয়ার উপায় গুলোকে ধীরে-ধীরে করে আপনার  জীবনকে অন্যান্য লোকের থেকে এগিয়ে গিয়ে আপনার লাইফটাকে আরো সুন্দর করে গড়ে তুলতে পারেন। কিভাবে স্মার্ট হতে হয় আশা করি বুঝে গেছেন। আপনার আগামী জীবনের সফলতা কামনা করে এখানে শেষ করছি।


মস্তিষ্ক ভালো রাখার ৫টি উপায় 


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

1 মন্তব্যসমূহ